লন্ডনে শান্তি আলোচনায় বসছেন স্টারমার-জেলেনস্কি, অচলাবস্থা দুই ইস্যুতে
ইউক্রেন যুদ্ধের ভবিষ্যৎ সমাধান নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় বসতে লন্ডনে সোমবার (৮ ডিসেম্বর) মুখোমুখি হচ্ছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি। চলমান শান্তি আলোচনায় দুই পক্ষের মধ্যে দুটি বড় ইস্যু নিয়ে অচলাবস্থা এখনও রয়ে গেছে।৷ এক. যুদ্ধের পর ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর আকার। দুই. পূর্ব দনবাস অঞ্চলে রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণ। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।
মার্কিন বিশেষ দূত কিথ কেলোগ বার্তা সংস্থা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, “এই দুই বিষয় সমাধান হলে বাকি সবকিছু সহজেই মিটে যাবে। আমরা লক্ষের প্রায় কাছাকাছি।”
ডাউনিং স্ট্রিট জানিয়েছে, সোমবারের বৈঠকে দুই নেতাশান্তি আলোচনা এবং পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে গভীরভাবে আলোচনা করবেন। তবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
এদিকে হোয়াইট হাউজ কিয়েভ ও মস্কোকে যুদ্ধবিরতির জন্য বহু-ধাপের একটি খসড়া পরিকল্পনায় আনতে চেষ্টা চালাচ্ছে। যদিও এখনও পর্যন্ত বড় কোনও অগ্রগতি চোখে পড়েনি।
তবুও সপ্তাহান্তে শেষ হওয়া সর্বশেষ মার্কিন–ইউক্রেন আলোচনার পর জেলেনস্কি বলেন, ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের সঙ্গে কথা বলে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যেতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
শান্তি পরিকল্পনার প্রাথমিক সংস্করণটি রাশিয়ার প্রতি অতিরিক্ত সুবিধাজনক হওয়ায় ইউক্রেন ও ইউরোপীয় মিত্ররা আপত্তি জানিয়েছিল। পরে সেই পরিকল্পনা সংশোধন করা হয়েছে। ইউরোপীয় দেশগুলো নিজেদের প্রস্তাবও সামনে এনেছে—যার মধ্যে রয়েছে সম্ভাব্য শান্তিচুক্তি তদারকির জন্য একটি ইউরোপীয় নিরাপত্তা বাহিনী গঠনের উদ্যোগ। তবে মস্কো এ ধারণা স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে।
মার্কিন পরিকল্পনার মূল খসড়ায় ন্যাটোর ভূমিকা সীমিত রাখা, ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর আকারে বিধিনিষেধ এবং দনবাসে রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার মতো বিষয় ছিল—যা নিয়ে কিয়েভ ও তার মিত্রদের আপত্তি এখনও জোরালো।





































