জনপ্রিয়তা দেখে প্রার্থী বদল করেও ক্ষান্ত হয়নি কিছু গোষ্ঠী : ডা. খালিদ
ঢাকা-১৭ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ডা. এস এম খালিদুজ্জামান অভিযোগ করেছেন, তার ‘আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা’ দেখে একটি বিশেষ গোষ্ঠী প্রার্থী বদল করেও ক্ষান্ত হয়নি বরং তারা তাকে সামাজিকভাবে বিতর্কিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে বিএমডিসির (বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল) অনুমোদনহীন ডিগ্রি ব্যবহারের অভিযোগে পাওয়া শোকজ নোটিশের বিষয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
সংবাদ সম্মেলনে ডা. খালিদ বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমরা অসৎ কোনো পথ বেছে নিইনি এবং ভবিষ্যতেও নেব না। দেশ বিনির্মাণের যে স্বপ্ন আমরা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি, তাতে দুর্ভাগ্যক্রমে কিছু বিশেষ গোষ্ঠী বা দল জনবিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে। পর্যায়ক্রমে জনবিচ্ছিন্ন হওয়ার কারণে তারা জনগণের কাছে কোনো প্রশ্রয় পাচ্ছে না। ফলে আমার আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা দেখে তারা প্রার্থী পরিবর্তন করেও ক্ষান্ত হয়নি। লোকলজ্জার ভয়ে তারা মানুষকে বিভিন্নভাবে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে।’
নিজের চিকিৎসকের পরিচয় স্পষ্ট করে তিনি বলেন, ‘আমি ডা. এস এম খালিদুজ্জামান, বিএমডিসি স্বীকৃত একজন ডাক্তার। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক যে গণমাধ্যমের কিছু ক্ষেত্রে এমনভাবে উপস্থাপিত হয়েছে যেন আমি একজন ভুয়া ডাক্তার। এটা খুবই দুঃখজনক। কোনো একটা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে গিয়ে এমন প্রতিদ্বন্দ্বীর বিপক্ষে কিছু কথা চলে আসছে। আমরা হারিয়ে যাইনি, আমরা এটার জবাব দেব। এর মাধ্যমে সত্য বেরিয়ে আসবে, ইনশাআল্লাহ।’
জামায়াতের এই প্রার্থী নৈতিকতার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ‘সাংবাদিক ও শিক্ষক যদি তাদের নৈতিকতা কোনো দলের কাছে বন্ধকি রেখে ময়দানে আসেন, তাহলে সেখানে স্বৈরাচার আবার জন্ম নেবে। তবে আমরা কখনও নিজের নৈতিকতাকে বিক্রি করব না।’
সংবাদমাধ্যমে ভুল তথ্য প্রচারের বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘যেকোনো অভিযোগ এলে আগে আমার কাছে শুনতে হবে যে এটা সঠিক কি না। আমার কাছে ২০টি দেশের মানুষ চিকিৎসা নিতে আসেন। আমি এক দিনের ডাক্তার নই, আমি এভারকেয়ার হাসপাতালে কাজ করেছি। সেখানে ১৮ বছরে সমস্যা হলো না, হঠাৎ কেন হলো এটা আগে জানলে ভালো হতো। সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা না নিলে এই দেশটা বিশৃঙ্খলার দিকে চলে যাবে।’





































