শুক্রবার , ২৩ জানুয়ারি ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০:২০, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬

২০ গ্রেড বহাল, বেতন কাঠামো ঝুলে আছে; পে-কমিশনে অস্থিরতা, সদস্যের পদত্যাগ

২০ গ্রেড বহাল, বেতন কাঠামো ঝুলে আছে; পে-কমিশনে অস্থিরতা, সদস্যের পদত্যাগ

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত পূর্ণ কমিশন সভায় গ্রেড সংখ্যা পরিবর্তনের দাবি উঠলেও শেষ পর্যন্ত আগের মতো ২০টি গ্রেড বহাল রাখার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতনের হার নির্ধারণে মতভেদ থাকায় পুরো বেতন কাঠামো এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

পে-কমিশন সূত্র জানায়, গ্রেড সংখ্যা কমানো বা পুনর্গঠনের প্রস্তাব থাকলেও প্রশাসনিক জটিলতা এড়াতে বর্তমান কাঠামোই রাখার সুপারিশ করা হবে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে কমিশনের এক সদস্য জানান, গ্রেড অপরিবর্তিত রেখেই বেতন বৃদ্ধির প্রস্তাব দেওয়া হবে।

সভায় পেনশন, চিকিৎসা ভাতা ও অন্যান্য ভাতা নিয়ে আলোচনা হলেও মূল বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতনের অঙ্ক। বিশেষ করে সর্বনিম্ন বেতন কত হবে, সে বিষয়ে কমিশনের সদস্যরা একমতে পৌঁছাতে পারেননি। আগামী ২১ জানুয়ারি পরবর্তী সভায় বিষয়টি আবার আলোচনায় আসবে। এর আগে কমিশনের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান অন্তর্বর্তী সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের সঙ্গে আলোচনা করে দিকনির্দেশনা নিতে পারেন বলে জানা গেছে। বেতন বৈষম্য কমাতে অনুপাত ১:৮ রাখার প্রস্তাবও আলোচনায় রয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে কমিশনের ভেতরের অস্থিরতা প্রকাশ্যে আসে খণ্ডকালীন সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. মাকছুদুর রহমান সরকারের পদত্যাগে। তিনি ঢাবি রেজিস্ট্রার ভবনে জরুরি প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য দেওয়া ৩৩টি সুনির্দিষ্ট সুপারিশের কোনো প্রতিফলন না থাকায় তিনি কমিশন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।

সর্বশেষ

জনপ্রিয়