আইনটি ২০২৫ সালের মে মাস থেকে কার্যকর হয়েছে এবং এটিকে দেশটির আবাসন ব্যবস্থায় একটি ঐতিহাসিক পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ভাড়াটিয়াদের উচ্ছেদের জন্য বাড়িওয়ালাদের অবশ্যই নির্দিষ্ট আইনি কারণ দেখাতে হবে। একই সঙ্গে ভাড়া বছরে একবারের বেশি বাড়ানো যাবে না বলে সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছে।
এছাড়া ভাড়াবাজারে “পিরিয়ডিক টেন্যান্সি” ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে, ভাড়া বাড়ির জন্য বিডিং ওয়ার (দরপত্রের প্রতিযোগিতা) নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং ভাড়াটিয়াদের পোষা প্রাণী রাখার অধিকারও নিশ্চিত করা হয়েছে। পরিবার বা সরকারি ভাতা গ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে বৈষম্যও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
নতুন আইনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো, ২০২৬ সালের মে মাসের মধ্যে বাড়িওয়ালাদের ভাড়াটিয়াদের কাছে একটি অফিসিয়াল তথ্যপত্র বিতরণ করতে হবে। তা না করলে বড় অঙ্কের আর্থিক জরিমানার মুখে পড়তে হতে পারে।
সরকার ও অধিকার সংগঠনগুলো বলছে, এই সংস্কারের মূল লক্ষ্য হলো ভাড়াটিয়া ও বাড়িওয়ালার মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য আনা এবং সাধারণ মানুষের জন্য দীর্ঘমেয়াদী আবাসন নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
তবে কিছু বাড়িওয়ালা নতুন নিয়মের কারণে আগেভাগেই নোটিশ দিচ্ছেন বা সম্পত্তি বিক্রি করে দিচ্ছেন বলেও জানা যাচ্ছে।