পর্ব–৪
ভুয়া নিউজ সাইট, সাজানো মামলা, কাগুজে রাজনীতি
লন্ডন থেকে বিশেষ প্রতিনিধি
|
২০২৬-০৪-১৯ ২২:২১
সিইও: সাজ্জাদ হোসেন চিশতী
বাংলাদেশ অফিস: ইউরোপা টাওয়ার, ফ্ল্যাট ৩/বি, ৩৮৩/১/এফ বিটিভি সংলগ্ন, পূর্ব রামপুরা, ঢাকা-১২১৯।
যুক্তরাজ্য অফিস: লেক্স হাউস, ১-৭ হেইনল্ট স্ট্রিট, ইলফোর্ড আইজি১ ৪ইএল, যুক্তরাজ্য।
ফোন : +৪৪ ৭৪৯৫ ৯২২৫৮২
© ২০২৬ | চ্যানেল ১৮ কর্তৃক সর্বসত্ব ® সংরক্ষিত
গত দুই দশকে যুক্তরাজ্যে রাজনৈতিক আশ্রয় বা অ্যাসাইলাম আবেদনকে ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন বাস্তবতা। প্রকৃত নির্যাতিত ও ঝুঁকিতে থাকা মানুষের পাশাপাশি এই ব্যবস্থার অপব্যবহারের অভিযোগও বেড়েছে। ভুয়া তথ্য, সাজানো গল্প, দালালচক্র, অননুমোদিত পরামর্শক, রাজনৈতিক পরিচয় বদলে আবেদন, সমকামী বা নাস্তিক সেজে কেস তৈরি—এমন নানা অভিযোগ নিয়ে তদন্তে নেমেছে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সত্যিকারের আশ্রয়প্রার্থীরা। যুক্তরাজ্যে ভুয়া অ্যাসাইলামের এই অন্ধকার জগত, এর কৌশল, অর্থের লেনদেন, বাংলাদেশি সংশ্লিষ্টতা এবং রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে চ্যানেল এইটটিনের এই ধারাবাহিক অনুসন্ধান।
৩য় পর্বে যা ছিল- নাস্তিকতার ভান: সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট দিয়ে বানানো হচ্ছে কেস
রাজনৈতিক আশ্রয়ের কেস তৈরিতে এখন ব্যবহার হচ্ছে ভুয়া সংবাদমাধ্যমের আদলে বানানো ওয়েবসাইট, সাজানো প্রতিবাদ কর্মসূচি এবং জাল মামলার গল্প।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, কিছু ওয়েবসাইট দেখতে আসল সংবাদমাধ্যমের মতো হলেও সেগুলো মূলত নির্দিষ্ট আবেদনকারীদের জন্য তৈরি। সেখানে প্রকাশ করা হয় হামলা, মামলা, হুমকি বা রাজনৈতিক নিপীড়নের সাজানো সংবাদ।
কিছু আবেদনকারীকে ছোট আকারের প্রতিবাদ মিছিলে দাঁড় করিয়ে ছবি তোলা হয়। পরে সেটি রাজনৈতিক কর্মী পরিচয়ের প্রমাণ হিসেবে জমা দেওয়া হয়।
একজন সাবেক আবেদনকারী বলেন, ‘আমাকে শুধু ব্যানার হাতে দাঁড়াতে বলা হয়েছিল। বলা হয়, ছবি থাকলেই হবে।’
বিশেষজ্ঞদের মতে, বিদেশি দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা যাচাই করা অনেক সময় কঠিন হওয়ায় এসব প্রতারণা কিছু ক্ষেত্রে ধরা পড়ে না।