গত মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে জহিরুল ইসলামের এই নির্বাচিত হওয়াকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও জোরদার করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তাঁর নেতৃত্বে দুই দেশের ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের মধ্যে নতুন যোগাযোগ, বাণিজ্যিক অংশীদারিত্ব এবং বিনিয়োগের সুযোগ আরও বিস্তৃত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।
বিবিসিসিআই’র ডিরেক্টর নির্বাচিত হওয়ার পাশাপাশি জহিরুল ইসলাম প্রতিষ্ঠানটির অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ সম্মাননাও অর্জন করেছেন। একই অনুষ্ঠানে এমএইচ গ্লোবাল গ্রুপের চেয়ারম্যান ক্যাপ্টেন এ কে এম গোলাম কিবরিয়া (সিআইপি) এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) গোলাম মোর্তুজা (সিআইপি)- কে আনুষ্ঠানিকভাবে বিবিসিসিআই’র লাইফটাইম মেম্বার (আজীবন সদস্য) হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
এই স্বীকৃতি ক্যাপ্টেন কিবরিয়া ও গোলাম মোর্তুজার দীর্ঘদিনের অবদান, দূরদর্শী উদ্যোক্তা-মানসিকতা এবং সীমান্ত পেরিয়ে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও ব্যবসায়িক সম্প্রসারণে তাঁদের ধারাবাহিক ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
তাঁদের দক্ষ ও দূরদর্শী নেতৃত্বে এমএইচ গ্লোবাল গ্রুপ করপোরেট উৎকর্ষ, নৈতিক ব্যবসায়িক চর্চা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে সম্প্রসারণের মাধ্যমে একটি বহুমাত্রিক বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও প্রতিষ্ঠানটি ব্যবসায়িক কার্যক্রম সম্প্রসারণ করে চলেছে।
নতুন দায়িত্ব প্রসঙ্গে জহিরুল ইসলাম বলেন, “এই মুহূর্তটি ব্যক্তিগতভাবে আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দের এবং আমাদের পুরো প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক। বিবিসিসিআই’র পরিচালনা পর্ষদে নির্বাচিত হওয়া বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। একই সঙ্গে আমাদের চেয়ারম্যান ও সিইও মহোদয়ের আজীবন সদস্যপদ লাভ এমএইচ গ্লোবাল গ্রুপের দীর্ঘদিনের অবদানের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি। আমরা বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের ব্যবসায়িক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি বিশ্বস্ত ও কার্যকর সেতু হিসেবে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে চাই।”
ব্রিটিশ-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং কৌশলগত ব্যবসায়িক অংশীদারিত্ব বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। নতুন দায়িত্ব ও স্বীকৃতির মধ্য দিয়ে এমএইচ গ্লোবাল গ্রুপ বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য বাণিজ্য সম্পর্কের নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচনে আরও সক্রিয় ও প্রভাবশালী ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা প্রত্যাশা করছেন।