ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কিয়েভ সফরে গিয়ে প্রথমবারের মতো ‘কোয়ালিশন অব দ্য উইলিং’-এর বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন বার্নহ্যাম। ইউক্রেনকে সমর্থন দিতে তাঁর পূর্বসূরি কিয়ার স্টারমারের সময় যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের উদ্যোগে এই জোট গঠন করা হয়েছিল।
সফরে ইউক্রেনের জনগণের প্রতি ব্রিটিশ জনগণের সমর্থনের স্বীকৃতিস্বরূপ একটি পুরস্কার গ্রহণ করবেন বার্নহ্যাম। পাশাপাশি দেশটির স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন কর্মসূচিতেও অংশ নেবেন তিনি।
সফরের আগে বার্নহ্যাম বলেন, ইউক্রেনের ৩৫তম স্বাধীনতা দিবসে দেশটির জনগণের কোনো সন্দেহ থাকা উচিত নয় যে যুক্তরাজ্য তাদের পাশে আছে এবং যতদিন প্রয়োজন ততদিন পাশে থাকবে।
তিনি বলেন, ইউক্রেনকে যুক্তরাজ্যের দেওয়া সহায়তা নিয়ে তিনি গর্বিত। ব্রিটেনের সমর্থনে কোনো পরিবর্তন আসবে না—এই বার্তাই ইউক্রেনের জনগণকে সরাসরি জানাতে চান তিনি। তাঁর ভাষায়, ‘ইউক্রেনের নিরাপত্তাই আমাদের নিরাপত্তা।’
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ইউক্রেন ও যুক্তরাজ্যের বন্ধুত্ব রাশিয়ার অবৈধ যুদ্ধের চেয়েও দীর্ঘস্থায়ী হবে। ইউক্রেনে ন্যায্য ও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাজ্য পিছপা হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
কিয়েভ সফরের মধ্য দিয়ে ইউক্রেনের প্রতি যুক্তরাজ্যের দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতার বিষয়টি আবারও স্পষ্ট করতে চাইছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী।