প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, জেট ফুয়েলের দাম বেড়ে যাওয়ায় এর প্রভাব ইতোমধ্যেই টিকিটের মূল্যে পড়তে শুরু করেছে। যদিও তারা বলছে, বর্তমানে জ্বালানি সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই, তবুও বাড়তি ব্যয়ের চাপ থেকে তারা পুরোপুরি মুক্ত নয়।
আইএজি’র মালিকানাধীন এয়ারলাইনগুলোর মধ্যে রয়েছে ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ, আইবেরিয়া ও এর লিংগাস। এসব সংস্থাও বাড়তি জ্বালানি ব্যয়ের প্রভাবের মুখে পড়ছে।
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা বাড়ায় পুরো বিমান পরিবহন খাতেই চাপ তৈরি হয়েছে। ইতোমধ্যে ইউরোপের কয়েকটি এয়ারলাইন মুনাফা কমার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে। ইজি জেট ও টিইউআই গ্রুপ সতর্কবার্তা দিয়েছে, আর এয়ার ফ্রান্স–কেএলএম কিছু রুটে অতিরিক্ত জ্বালানি সারচার্জ আরোপ করেছে।
আইএজি জানিয়েছে, আগাম নির্দিষ্ট দামে জ্বালানি কেনার কৌশল তাদের এখন পর্যন্ত কিছুটা সুরক্ষা দিয়েছে। তবে আগামী মাসগুলোতে এই সুবিধা কমে আসবে, ফলে বাজারদরের ওঠানামার প্রভাব আরও বেশি পড়তে পারে।
প্রতিষ্ঠানটির এক মুখপাত্র জানান, এ পরিস্থিতিতে বিমান সংস্থাগুলোকে কার্যক্রম সচল রাখতে সরকারের নমনীয়তা প্রয়োজন, বিশেষ করে বিমানবন্দরের স্লট ব্যবস্থাপনায়। এতে করে বাড়তি খরচের চাপ সামলেও যাত্রী ও বাণিজ্য কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হবে।