পর্ব–৩
নাস্তিকতার ভান: সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট দিয়ে বানানো হচ্ছে কেস
লন্ডন থেকে বিশেষ প্রতিনিধি
|
২০২৬-০৪-১৯ ১১:৩৭
সিইও: সাজ্জাদ হোসেন
বাংলাদেশ অফিস: ইউরোপা টাওয়ার, ফ্ল্যাট ৩/বি, ৩৮৩/১/এফ বিটিভি সংলগ্ন, পূর্ব রামপুরা, ঢাকা-১২১৯।
যুক্তরাজ্য অফিস: লেক্স হাউস, ১-৭ হেইনল্ট স্ট্রিট, ইলফোর্ড আইজি১ ৪ইএল, যুক্তরাজ্য।
ফোন : +৪৪ ৭৪৯৫ ৯২২৫৮২
© ২০২৬ | চ্যানেল ১৮ কর্তৃক সর্বসত্ব ® সংরক্ষিত | Powered by: channel18 IT
গত দুই দশকে যুক্তরাজ্যে রাজনৈতিক আশ্রয় বা অ্যাসাইলাম আবেদনকে ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন বাস্তবতা। প্রকৃত নির্যাতিত ও ঝুঁকিতে থাকা মানুষের পাশাপাশি এই ব্যবস্থার অপব্যবহারের অভিযোগও বেড়েছে। ভুয়া তথ্য, সাজানো গল্প, দালালচক্র, অননুমোদিত পরামর্শক, রাজনৈতিক পরিচয় বদলে আবেদন, সমকামী বা নাস্তিক সেজে কেস তৈরি—এমন নানা অভিযোগ নিয়ে তদন্তে নেমেছে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সত্যিকারের আশ্রয়প্রার্থীরা। যুক্তরাজ্যে ভুয়া অ্যাসাইলামের এই অন্ধকার জগত, এর কৌশল, অর্থের লেনদেন, বাংলাদেশি সংশ্লিষ্টতা এবং রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে চ্যানেল এইটটিনের এই ধারাবাহিক অনুসন্ধান।
২য় পর্বে যা ছিলো- সমকামী পরিচয়ের ভুয়া কেস: সাজানো ছবি, ভাড়া করা সঙ্গী
ভুয়া অ্যাসাইলাম চক্রের আরেকটি বহুল ব্যবহৃত পথ হচ্ছে ধর্মত্যাগী বা নাস্তিক পরিচয়।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, আবেদনকারীদের বলা হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধর্মবিরোধী লেখা দিতে। উদ্দেশ্য, বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি করা এবং পরে সেটিকে ‘হুমকি’ হিসেবে দেখানো।
একজন ভুক্তভোগী বলেন, তাকে বলা হয়েছিল কয়েকটি পোস্ট দিতে, যাতে ধর্মীয় উগ্রপন্থিরা মন্তব্য করে। তারপর সেই মন্তব্যের ছবি তুলে রাখা হবে।
কিছু ক্ষেত্রে বিদেশে থাকা ব্লগ বা ছোট অনলাইন মাধ্যমে অর্থের বিনিময়ে লেখা প্রকাশ করানোরও অভিযোগ রয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি শুধু প্রতারণা নয়, আবেদনকারী নিজেও বাস্তব বিপদে পড়ে যেতে পারেন। কারণ অনলাইনে এমন পোস্ট ছড়িয়ে পড়লে দেশে পরিবারও হুমকির মুখে পড়তে পারে।
এক অভিবাসন আইনজীবী বলেন, ‘ভুয়া কেস বানাতে গিয়ে অনেকে নিজের জীবনকেই ঝুঁকিতে ফেলছেন।’