পর্ব–৫
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা টার্গেট: লাখ টাকার প্রতারণা
লন্ডন থেকে বিশেষ প্রতিনিধি
|
২০২৬-০৪-২০ ১১:১২
সিইও: সাজ্জাদ হোসেন চিশতী
বাংলাদেশ অফিস: ইউরোপা টাওয়ার, ফ্ল্যাট ৩/বি, ৩৮৩/১/এফ বিটিভি সংলগ্ন, পূর্ব রামপুরা, ঢাকা-১২১৯।
যুক্তরাজ্য অফিস: লেক্স হাউস, ১-৭ হেইনল্ট স্ট্রিট, ইলফোর্ড আইজি১ ৪ইএল, যুক্তরাজ্য।
ফোন : +৪৪ ৭৪৯৫ ৯২২৫৮২
© ২০২৬ | চ্যানেল ১৮ কর্তৃক সর্বসত্ব ® সংরক্ষিত
গত দুই দশকে যুক্তরাজ্যে রাজনৈতিক আশ্রয় বা অ্যাসাইলাম আবেদনকে ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন বাস্তবতা। প্রকৃত নির্যাতিত ও ঝুঁকিতে থাকা মানুষের পাশাপাশি এই ব্যবস্থার অপব্যবহারের অভিযোগও বেড়েছে। ভুয়া তথ্য, সাজানো গল্প, দালালচক্র, অননুমোদিত পরামর্শক, রাজনৈতিক পরিচয় বদলে আবেদন, সমকামী বা নাস্তিক সেজে কেস তৈরি—এমন নানা অভিযোগ নিয়ে তদন্তে নেমেছে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সত্যিকারের আশ্রয়প্রার্থীরা। যুক্তরাজ্যে ভুয়া অ্যাসাইলামের এই অন্ধকার জগত, এর কৌশল, অর্থের লেনদেন, বাংলাদেশি সংশ্লিষ্টতা এবং রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে চ্যানেল এইটটিনের এই ধারাবাহিক অনুসন্ধান।
৪র্থ পর্বে যা ছিল- ভুয়া নিউজ সাইট, সাজানো মামলা, কাগুজে রাজনীতি
যুক্তরাজ্যে নতুন আসা আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের একটি অংশকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে কিছু দালালচক্র। বিশেষ করে যারা আর্থিক সংকট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জটিলতা বা ভিসা সমস্যায় পড়েন, তাদের কাছে পৌঁছে যায় এসব প্রস্তাব।
এক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী (ছদ্মনাম তানভীর) বলেন, কলেজে উপস্থিতি কমে যাওয়ার পর তিনি সমস্যায় পড়েন। তখন এক পরিচিত ব্যক্তি বলেন, ‘ভয় নেই, অ্যাসাইলাম করলে থেকে যেতে পারবেন।’
তার কাছে প্রথমে তিন হাজার পাউন্ড দাবি করা হয়। পরে বলা হয়, কাগজপত্র ও আপিলসহ আরও খরচ হবে।
তানভীর শেষ পর্যন্ত আবেদন করেননি। তবে তার দাবি, একই ভবনে থাকা আরও দুজন আবেদন করেছিলেন।
বাংলাদেশি কমিউনিটির কয়েকজন সদস্য বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ এবং পরিচিতির মাধ্যমে এসব যোগাযোগ তৈরি হয়।
অনেকে সব টাকা খরচ করেও শেষে আবেদন হারান, ঋণে জড়ান, আবার দেশে ফিরতেও পারেন না।