গ্রেফতারকৃতরা হলেন, সদর উপজেলার হলিধানী ইউনিয়নের কোলা গ্রামের যুবলীগ নেতা নুরে আলম বিপ্লবের ছেলে ফারহান নিলয় দীঘল, পৌর এলাকার আরাপপুর এলাকার বজলুর রহমানের ছেলে মেহেদী হাসান সোহেল এবং সদর উপজেলার শ্রীফলতলা গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে আশিক।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (৮ জুন) ভোরে ঝিনাইদহ শহরের পায়রা চত্বরে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা একটি ঝটিকা মিছিল বের করে। বিষয়টি পুলিশের নজরে এলে দুপুরে ঝিনাইদহ সদর থানার এসআই রাজীব আলী বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এর ৮, ৯, ১০, ১১, ১২ ও ১৩ ধারায় ২৪ জনের নাম উল্লেখ করে সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
মামলার আসামীরা হলেন, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সজিব হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আল ইমরান, হেহেদী হাসান সোহেল, হোসাইন মোহাম্মদ ফরহাদ, মাহাতাসিন বিল্লাহ জিসান, রাশেদুল হাসান সোহান, ফজলে রাব্বি অনু, বিশ^াস হাদিউজ্জামান, নিলয় ফারহান দিঘল, আল মাইমুন সংগ্রাম, শেখ সাদী, সেলিম হোসেন, মিশন আক্তার, মেহেদী হাসান সৈকত, বিএম রকিবুল করীম, রবিউল ইসলাম রাব্বি ওরফে অর্ক, ইমরাজ আহম্মেদ, আসিফ হোসেন, আসাদ হোসেন, রানা মিয়া, আবু রেহান কাজল, সানি, সৈয়দ শহরিয়ার ও আবিদসহ অজ্ঞাত ১০/১৫ জন।
মামলার পর থেকেই জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযানে নামে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট। সোমবার দিবাগত রাতে সদর উপজেলার হলিধানী ইউনিয়নের কোলা গ্রামের ফারহান নিলয় দীঘল, পৌর এলাকার আরাপপুর গ্রামের মেহেদী হাসান সোহেল এবং শ্রীফলতলা গ্রামের আশিককে আটক করা হয়।
মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে আটক তিনজনকে ঝিনাইদহের আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদউজ্জামান বলেন, “নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা আইনশৃঙ্খলার বিঘœ ঘটাতে শহরে মিছিল করেছে। বিষয়টি আমাদের দৃষ্টিগোচর হওয়ার পর সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ২৪ জনের নামে মামলা করা হয়েছে। আটক তিনজনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে