মঙ্গলবার ( ২ জুন) দুপুরের দিকে ওই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরে চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উদ্যোগে এক মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।
এর আগে শুক্রবার (২৯ মে) ঈদুল আযহার পরের দিন বিকালের দিকে সুন্দরগঞ্জে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক শিশুর চিকিৎসা চলাকালে ওই হামলা মারপিট ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, গত ২৯ মে বিকেলের দিকে জরুরী বিভাগ এক শিশুর চিকিৎসা চলছিল। এ সময় রোগীর স্বজনরা চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সাথে অসদাচরণ করেন এবং আরো বহিরাগত লোকজনকে ডেকে নিয়ে হামলা ভাঙচুর ও মারপিটের ঘটনা ঘটানো হয় ।এ সময় হাসপাতালের চেয়ার টেবিল, দরজা জানালা সহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয় । এ সময় হামলাকারীদের হাতে দুইজন কর্মচারী আহত হয় ।
বক্তারা বলেন, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করা হলে সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। তাই হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।
সুন্দরগঞ্জ উপজেলার আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আর এম ও) ডাক্তার ফারহানা বিনতে ফারুক বলেন, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীর ওপর হামলার ঘটনায় আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার না করা হলে বহির্বিভাগের সেবা চালু করা হবে না বলে জানান তারা।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ জানায়, হাসপাতালে হামলা ভাঙচুর ও মারপিটের ঘটনায় মামলা গায়ের করা হয়েছে। আসামি গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।