সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ২১ মে ২০২৬ তারিখে নড়াইল সদর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা থেকে মোট ১১ হাজার ৭৫২ জন কৃষক সরকারি খাদ্যগুদামে ধান বিক্রির জন্য আবেদন করেন।
আবেদনকারীদের মধ্য থেকে লটারির মাধ্যমে ৮২২ জন কৃষককে নির্বাচিত করা হয় এবং তাদের তালিকাও প্রস্তুত করা হয়েছে।
তবে অভিযোগ উঠেছে, ধান সংগ্রহ কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করার জন্য এখনো কোনো নির্দেশনা বা উদ্বোধনী কার্যক্রম সম্পন্ন না হলেও নড়াইল সদর উপজেলা খাদ্য পরিদর্শক ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (এলএসডি) মো. আহসান কবির নিজ উদ্যোগে খাদ্যগুদামে প্রায় ১৬০ থেকে ১৭০ বস্তা ধান প্রবেশ করিয়েছেন।
এ বিষয়ে মুঠোফোনে জানতে চাইলে মো. আহসান কবির বলেন, আজ ধান সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন হওয়ার কথা ছিল। সে কারণেই খাদ্যগুদামে ধান আনা হয়েছে।
তবে নড়াইল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) টি এম রাহসিন কবির জানান, নড়াইল-১ ও নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে সময় নির্ধারণের পর তাদের উপস্থিতিতে ধান সংগ্রহ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে।
ইউএনওর এমন বক্তব্যের পর উদ্বোধনের আগেই কীভাবে এবং কার নির্দেশে খাদ্যগুদামে বিপুল পরিমাণ ধান প্রবেশ করানো হলো তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় কৃষক ও সচেতন মহলের দাবি, সরকারি ধান সংগ্রহ কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। পাশাপাশি উদ্বোধনের আগেই খাদ্যগুদামে প্রবেশ করা ধানের উৎস ও প্রক্রিয়া সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুস্পষ্ট ব্যাখ্যাও দাবি করেছেন তারা।