উদ্বোধন অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহান কেয়া, পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল ফারুক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানা এবং স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ম্যুরালটির নকশা ও নির্মাণকাজ সম্পন্ন করেন ভাস্কর অলি মাহমুদ।
এর আগে ২০১৬ সালে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে একই স্থানে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের একটি ম্যুরাল নির্মাণ করা হয়েছিল। তবে চলতি বছরের জানুয়ারিতে ঢাকা–সিলেট করিডর সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের কারণে ম্যুরালটি অপসারণ করা হয়। এ সময় ম্যুরাল ভাঙার ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জনমনে নানা প্রশ্ন ও বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়।
পরবর্তীতে আগের নকশা ও কাঠামোর আদলে আরও বৃহৎ পরিসরে নতুন ম্যুরাল নির্মাণের উদ্যোগ নেয় উপজেলা প্রশাসন। মহাসড়কের পাশে আধুনিক ও নান্দনিক নকশায় পুনর্নির্মিত ‘বাংলার ঈগল’ ম্যুরালটি এখন আগের তুলনায় অনেক বড় এবং দৃষ্টিনন্দন।
ম্যুরালটির এক পাশে রয়েছে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের প্রতিকৃতি, অন্য পাশে তাঁর জীবন ও কর্মের সংক্ষিপ্ত বিবরণ। মাঝখানে ত্রিভুজাকৃতির স্তম্ভে টেরাকোটার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন দৃশ্য তুলে ধরা হয়েছে। এছাড়া ম্যুরালের শীর্ষে স্থাপন করা হয়েছে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের ছিনিয়ে আনা টি–৩৩ যুদ্ধবিমানের আদলে নির্মিত একটি রেপ্লিকা।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানা জানান, মহাসড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্প বাস্তবায়নের স্বার্থেই পুরোনো ম্যুরাল অপসারণ করা হয়েছিল। এটি কখনোই বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের প্রতি অসম্মান প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে করা হয়নি। তিনি বলেন, আগে ম্যুরালটির আয়তন ছিল ১৬ ফুট বাই ১৬ ফুট, যা এখন ৩০ ফুট বাই ৩০ ফুট করা হয়েছে। নতুন সংযোজন ও নান্দনিক নকশার কারণে এটি দূর থেকেও সহজে দৃশ্যমান হবে এবং দর্শনার্থীদের কাছে আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে।