ভুক্তভোগী পরিবার ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, চরলক্ষীগঞ্জ গ্রামের প্রবাসীর কন্যা স্থানীয় একটি মাদ্রাসার চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী। গত ২৭ মে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সে বাড়ির উঠানে খেলাধুলা করছিল। এ সময় একই বাড়ির বাসিন্দা ও আত্মীয় সম্পর্কের ছেরাজুল হক শিশুটিকে তার ঘরের সামনে ডেকে নিয়ে যায়। পরে কৌশলে ঘরের ভেতরে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করে।
পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার পর অভিযুক্ত ব্যক্তি শিশুটিকে বিষয়টি কাউকে না বলার জন্য ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। ফলে আতঙ্কে শিশুটি কয়েকদিন ঘটনাটি গোপন রাখে।
সোমবার (১ জুন) সকালে অভিযুক্ত ছেরাজুল হক পুনরায় শিশুটিকে নিজের ঘরে যাওয়ার ইঙ্গিত দিলে শিশুটি ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে বলে ওঠে, লোকটা আমার সঙ্গে আবার খারাপ কাজ করবে। এ কথা শুনে পরিবারের এক নারী সদস্য শিশুটির কাছে জানতে চাইলে সে ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা করে। পরে বিষয়টি শিশুটির মাকে জানানো হলে তিনিও মেয়ের কাছ থেকে ঘটনার সত্যতা জানতে পারেন।
বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অভিযুক্তের বাড়িতে গেলে তাকে পাওয়া যায়নি। পরে বিকেল ৩টার দিকে তিনি বাড়িতে ফিরলে স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। অভিযোগ অস্বীকার করলে উত্তেজিত জনতা তাকে মারধর করে পুলিশে খবর দেয়।
খবর পেয়ে সোনাগাজী মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত ছেরাজুল হককে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
সোনাগাজী মডেল থানার ওসি কামরুল ইসলাম বলেন , অভিযুক্ত ছেরাজুল হককে আটক করে থানায় নিয়ে আসার পর ভিকটিমের মা লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ভিকটিমকে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য ফেনী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে প্রেরণ এবং অভিযুক্তকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।