স্থানীয়রা জানায়, নবগঙ্গা নদীর তীরে রায়হানদের বাড়ি। মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে নদীর সমিতির ঘাটে গোসল করতে যায় সে। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা নদী ও আশপাশের এলাকায় খোঁজাখুঁজি শুরু করে।
এক পর্যায়ে তাকে কোথাও খুঁজে না পেয়ে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হয়।
খবর পেয়ে লোহাগড়া ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। চার ঘণ্টা অনুসন্ধানের পর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে নদী থেকে রায়হানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
দিঘলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য জিন্নাত আলী বলেন, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যান এবং ফায়ার সার্ভিসকে অবহিত করেন।
পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উদ্ধার অভিযান চালিয়ে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করেন।
লোহাগড়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা সোহাগউজ্জামান বলেন, ‘চার ঘণ্টা খোঁজাখুঁজির পর আমরা শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছি। মরদেহটি চরকোটাখোল হাফিজিয়া মাদরাসায় রাখা হয়েছে। পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় ইউপি সদস্য এখানে উপস্থিত আছেন। তাদের কাছে মরদেহটি হস্তান্তর করা হবে।