প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে যে স্থাপনাটি ‘মীর মুগ্ধ স্কয়ার’ নামে পরিচিত, এর পূর্বের নাম ছিল ‘তারেক রহমান স্কয়ার’। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নিজের নামে না রেখে জুলাইয়ের আত্মত্যাগের স্মৃতিকে সম্মান জানিয়ে এর নাম ‘মীর মুগ্ধ স্কয়ার’ নির্ধারণ করেছেন। তাঁর ভাষায়, এটি শুধু একটি স্কয়ার নয়; বরং জুলাইয়ের সাহস, ত্যাগ এবং গণমানুষের আকাঙ্ক্ষার প্রতীক।
তিনি বলেন, এই স্কয়ারের পাশ দিয়ে প্রতিদিন যাতায়াতকারী মানুষ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহত যোদ্ধাদের আত্মত্যাগ স্মরণ করবেন। তাদের রক্তের বিনিময়েই ফ্যাসিবাদী সরকারের পতন সম্ভব হয়েছে এবং সেই ত্যাগ জাতি কখনো ভুলবে না।
মীর শাহে আলম আরও বলেন, যেমন ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়, তেমনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদেরও সমান মর্যাদায় স্মরণ করতে হবে। নতুন প্রজন্মকে এই ইতিহাস জানানো জরুরি, যাতে তারা স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার রক্ষার প্রকৃত মূল্য উপলব্ধি করতে পারে।
তিনি বলেন, জুলাই সনদের পূর্ণ বাস্তবায়নের মধ্য দিয়েই শহীদদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে উঠবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার সে লক্ষ্য অর্জনে আন্তরিকভাবে কাজ করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানের শেষাংশে প্রতিমন্ত্রী মীর মুগ্ধ স্কয়ারের সৌন্দর্য, পরিচ্ছন্নতা ও মর্যাদা রক্ষায় সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। তাঁর মতে, এই স্কয়ার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য জুলাইয়ের ইতিহাস, আত্মত্যাগ এবং গণতান্ত্রিক সংগ্রামের এক স্থায়ী স্মারক হিসেবে ভূমিকা রাখবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মী, প্রশাসনের কর্মকর্তা, জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধা, শহীদ পরিবারের সদস্য এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।