অভিযানে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী, চাল, ভোজ্যতেল, গ্যাস, ওষুধ, ডায়াগনস্টিক সেবা, আলু, দেশি পেঁয়াজ, সবজি, মুরগি ও ডিমের বাজারে পণ্যের মূল্য, ক্রয় ভাউচার এবং মূল্যতালিকা যাচাই করা হয়। এ সময় ব্যবসায়ীদের সরকার নির্ধারিত মূল্যে পণ্য বিক্রি, মূল্যতালিকা দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন এবং ক্রয়-বিক্রয়ের ভাউচার সংরক্ষণের নির্দেশনা দেওয়া হয়।
যশোর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. সেলিমুজ্জামানের নেতৃত্বে সদর উপজেলার পুলেরহাট বাজারে অভিযান চালিয়ে তানসীপ ট্রেডার্সকে অবৈধ প্রক্রিয়ায় পণ্য বিক্রি, পণ্যের মোড়ক যথাযথভাবে ব্যবহার না করা এবং মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য সংরক্ষণ ও বিক্রয়ের অপরাধে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
খুলনা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ওয়ালিদ বিন হাবিবের নেতৃত্বে ডুমুরিয়া উপজেলার ডুমুরিয়া বাজারে অভিযান চালিয়ে অবৈধ প্রক্রিয়ায় খাদ্যপণ্য উৎপাদনের দায়ে সাতক্ষীরা ঘোষ ডেয়ারিকে ৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
মেহেরপুর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মামুনুল হাসানের নেতৃত্বে গাংনী বাজারে অভিযান চালিয়ে সোহাগ ফার্মেসিকে পণ্যের মোড়ক যথাযথভাবে ব্যবহার না করার অপরাধে ৩০ হাজার টাকা এবং নান্না বিরিয়ানি হাউজকে খাদ্যপণ্যে নিষিদ্ধ উপাদান মেশানোর অপরাধে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এদিকে, মাগুরা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. সজল আহমেদের নেতৃত্বে শ্রীপুর উপজেলার নাকোল বাজারে অভিযান চালিয়ে মেসার্স জীবনানন্দ দাস স্টোরকে পণ্যের মোড়ক যথাযথভাবে ব্যবহার না করা এবং মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য সংরক্ষণ ও বিক্রয়ের অপরাধে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অধিদপ্তর সূত্র জানায়, পৃথক এসব অভিযানে মোট পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে ২ লাখ ১২ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়েছে।
অভিযানকালে ব্যবসায়ীদের সতর্ক করে বলা হয়, সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে পণ্য বিক্রি করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় নিয়মিত বাজার তদারকি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়।