রোববার দিনগত রাত ১টার দিকে উপজেলার এই ইউনিয়নের তালুক বেলকা গ্রামে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আঙ্গুর মিয়া (৩৫) ওই গ্রামের মৃত তছলিম উদ্দিনের ছেলে। রাতে মশা তাড়ানোর জন্য গোয়াল ঘরে কয়েক জ্বালিয়েছিলেন কৃষক আঙ্গুর।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যায় প্রতিদিনের মতো গোয়াল ঘরের মশা তাড়ানোর জন্য কয়েল জ্বালিয়ে দেয় কৃষকের পরিবার। হঠাৎ রাত ১টার দিকে আগুনের শব্দে বাড়ির লোকজনের ঘুম ভাঙে। এ সময় কৃষকের পরিবারের সদস্যরা চিৎকার করলে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। এক পর্যায়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসলেও ততক্ষণে গোয়াল ঘরে থাকা পাঁচটি গরুর মধ্যে দুইটি গরু পুড়ে মারা যায়। অপর তিনটি গরুর আংশিক শরীর পুড়ে যায়। মৃত গরু দুটি দেশীজাত থেকে জাত উন্নয়নের মাধ্যমে উন্নতজাতের শংকর (ক্রস) গরু ছিল।
রাতে আগুন নেভানোর কাজে সহায়তাকারী প্রতিবেশী সাজু মিয়া বলেন, ‘রাতে হঠাৎ চিৎকার চেঁচামেচিতে আমাদের ঘুম ভাঙে। পরে আঙ্গুর মিয়ার গোয়ালঘর জ্বলে যাচ্ছে দেখা যায়। এসময় প্রতিবেশীরা মিলে আগুন নেভানোর চেষ্টা করি। কিন্তু আগুন নিভলেও দুটি গরু মারা যায়, তিনটি আহত হয়। পরিবারটির একমাত্র সম্ভব ছিল এসব গরু।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আঙ্গুর মিয়া জানান, প্রতিদিনই কয়েল জ্বালাই কিন্তু কাল রাতে কেমনে (কিভাবে) কি হলো জানি না। এই গরুগুলোই আমার সম্বল ছিল। এসময় তিনি আগুনে তিন লাখ টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে বলে জানান।
বেলকা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ইব্রাহিম খলিলুল্লাহ বলেন, চরে আঙ্গুর মিয়া নামের এক ব্যক্তির গোয়াল ঘরসহ গরু আগুনে পুড়ে মারা গেছে। বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে অবগত করাসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা করা হবে।