এসময় নিজেকে রক্ষা করতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে অভিযুক্তের গোপনাঙ্গ কেটে দিয়েছেন ভুক্তভোগী নারী। বিষয়টি জানাজানির পর ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনার পরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে চরফ্যাশন উপজেলায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেছে পুলিশ।
শনিবার (৩০ মে) ভোরে চরফ্যাশন উপজেলার দক্ষিণ আইচা থানার নজরুল নগর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের চর কলমি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। গ্রেপ্তারকৃত ইমাম সর্দার একই গ্রামের বাসিন্দা মজিদ সর্দারের ছেলে এবং তিনি পেশায় একজন ইলেকট্রেশিয়ান।
এ ঘটনায় শনিবার দুপুরে ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে স্থানীয় থানায় ইমাম সর্দারকে প্রধান আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সুত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী নারী তার স্বামী ও সন্তানদের নিয়ে প্রতিদিনের মতো গতকাল রাতেও নিজেদের ঘরে ঘুমিয়ে ছিল। এইফাঁকে আসামি ইমাম সর্দার কৌশলে ওই নারীর ঘরে ঢুকে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। ধর্ষণের একপর্যায়ে ওই নারী নিজের আত্নরক্ষার্থে তার হাতের কাছে থাকা ধারালো অস্ত্র দিয়ে ইমাম সর্দারের গোপনাঙ্গে আঘাত করলে সে তাৎক্ষনিক দৌড়ে পালিয়ে যায়।
পরবর্তীতে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শনসহ অভিযান চালিয়ে আসামিকে গ্রেপ্তার করে এবং গ্রেপ্তারের পর আহত ইমাম সর্দারকে চিকিৎসার জন্য চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করায় পুলিশ।
এবিষয়ে দক্ষিণ আইচা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.আহসান কবির বলেন,ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে থানায় ধর্ষন মামলা দায়ের করেছেন। আমরা অভিযান চালিয়ে আসামি ইমাম সর্দারকে গ্রেপ্তার করে চিকিৎসার জন্য চরফ্যাশন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করিয়েছি,এবং পুলিশ পাহাড়ায় তার চিকিৎসা চলছে। ভুক্তভোগী নারী নিজেকে রক্ষা করতে তার হাতের কাছে থাকা ধারালো অস্ত্র দিয়ে অভিযুক্তের গোপনাঙ্গে আঘাত করেন। ভুক্তভোগী নারীর প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তাকে ভোলার ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এবং মামলার পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।