নিহত সাব্বির আহমেদ উপজেলার বাশিদ এলাকার সুলতান আহমেদের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকালে বিত্তাগুন খালে সাব্বিরের মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা ভালুকা মডেল থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুপুরের দিকে মরদেহটি উদ্ধার করে। এরপর মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
এর আগে বৃহস্পতিবার নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে একটি বিদায়ী পোস্ট দেন সাব্বির। সেখানে তিনি লেখেন, ‘আমার আইডিটা সারা জীবনের জন্য অফলাইন থাকবে, আর কোনোদিন অনলাইনে আসা হবে না। সবাই ভালো থাকবেন। কাউকে কখনো কোনো কষ্ট দিয়ে থাকলে মাফ করে দিয়েন। আমি জানি না, আমি কার কাছে কেমন। হয়তো বা কারো কাছে ভালো, কারো কাছে খারাপ। সবাই আমাকে মাফ করে দিয়েন–বিদায় পৃথিবী।’
ওই পোস্টের পর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন সাব্বির। এর পরদিনই খাল থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
ভালুকা মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইমন চাম্বুগং বলেন, প্রায় ১৪ বছর আগে সাব্বিরের মা-বাবার বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এরপর থেকে তিনি তাঁর খালার কাছে লালিত-পালিত হন। প্রাথমিকভাবে প্রেমঘটিত কোনো কারণে তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে মরদেহে হত্যার কোনো আলামত পাওয়া যায়নি।
তিনি আরও বলেন, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।