সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে গালফ নিউজ।
সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ওয়ার্ক পারমিটের নিয়মের বাইরে গিয়ে স্বাধীনভাবে কাজ করা দেশটির আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন। একই সঙ্গে সব বিদেশি কর্মীকে সৌদির আবাসন, শ্রম ও সীমান্ত নিরাপত্তা আইন মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।
কর্তৃপক্ষের নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, অপরাধের পুনরাবৃত্তির সঙ্গে সঙ্গে শাস্তির মাত্রাও বাড়বে। প্রথমবার অপরাধ করলে ১০ হাজার সৌদি রিয়াল জরিমানা হতে পারে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩ লাখ ২৮ হাজার টাকা।
দ্বিতীয়বার একই অপরাধ করলে জরিমানা বেড়ে দাঁড়াবে ২৫ হাজার রিয়াল বা প্রায় ৮ লাখ ২০ হাজার টাকা। এর সঙ্গে এক মাসের কারাদণ্ডও হতে পারে।
তৃতীয়বার বা তার বেশি একই অপরাধ করলে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার রিয়াল জরিমানা, ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর মতো শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।
সৌদি শ্রমবাজার নিয়ন্ত্রণ ও অবৈধ কর্মসংস্থান বন্ধের অংশ হিসেবে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে বৈধভাবে নিবন্ধিত নিয়োগকর্তার বাইরে বা নিজ উদ্যোগে প্রবাসীদের কাজ করার সুযোগ আরও কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে।
এ ছাড়া যেসব ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান প্রবাসীদের অনুমোদনহীনভাবে কাজ করতে সহায়তা করবে, তাদের বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অবৈধ কর্মীদের নিয়োগ, পরিবহন, আশ্রয় দেওয়া বা গোপন রাখার ক্ষেত্রেও শাস্তির বিধান রয়েছে।
এসব অপরাধে সর্বোচ্চ ১ লাখ সৌদি রিয়াল জরিমানা, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩২ লাখ ৮৩ হাজার টাকা, এবং ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।
ফলে সৌদিতে কর্মরত বাংলাদেশিসহ সব বিদেশি কর্মীকে তাদের ওয়ার্ক পারমিটের শর্ত মেনে এবং অনুমোদিত নিয়োগকর্তার অধীনে কাজ করার বিষয়ে সতর্ক করেছে কর্তৃপক্ষ।