৩৬৫ নিউজ-এর পাকিস্তানি সাংবাদিক আম্বার আলী এক প্রতিবেদনে জানিয়েছেন, খেলোয়াড়দের ডিভাইস পিসিবি তাদের জিম্মায় রেখেছে এবং পরের টেস্ট শেষ না হওয়া পর্যন্ত সেগুলো তাদের কাছেই থাকবে। খেলোয়াড়দের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। কী কারণে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা ব্যাখ্যা করেনি পিসিবিও।
স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন উঠেছে, খেলোয়াড়দের ফোন নিয়ে আসলে কী করার এখতিয়ার রাখতে পারে এবং কোন পরিস্থিতিতে তারা ব্যক্তিগত যোগাযোগ দেখতে বা ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস রেখে দিতে পারে। এর আগে দ্বিতীয় টেস্ট শেষে পাকিস্তানের স্কোয়াড থেকে সাত খেলোয়াড় ও দুই কোচকে অব্যাহতি দিয়ে তোপের মুখে পড়ে পিসিবি। এবার খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত ডিভাইস জব্দ করে যেন আরও স্বেচ্ছাচারী হয়ে উঠল তারা।
মোবাইল ফোন ব্যবহার নিয়ে আইসিসিরও কঠোর নীতি আছে। কিন্তু প্রতিবেদনটি সত্যি হলে সেটাকেও ছাপিয়ে যাবে পিসিবির এই পদক্ষেপ। সাধারণত ম্যাচের দিন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সংরক্ষিত ম্যাচ এলাকায় মোবাইল ফোনের ব্যবহার নিষিদ্ধ। আইসিসির আচরণবিধি অনুযায়ী খেলোয়াড় ও সাপোর্ট স্টাফরা ড্রেসিংরুমসহ নির্দিষ্ট সংরক্ষিত এলাকায় মোবাইল ফোন ও অন্যান্য যোগাযোগ ডিভাইস ব্যবহার করতে পারবেন না। ওই সব এলাকায় প্রবেশের আগে খেলোয়াড়দের ডিভাইসগুলো নিরাপদ স্থানে রেখে আসতে হবে।