রোববার (৫ এপ্রিল) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের এনবিআর ভবন-এ আয়োজিত প্রাক-বাজেট আলোচনায় অ্যামচেম এ প্রস্তাব উপস্থাপন করে। সংগঠনটি উল্লেখ করেছে, কোভিড পরবর্তী সময়ে অনলাইন শপিং ও ডিজিটাল পেমেন্টের ব্যবহার বেড়েছে, বিশেষ করে কার্ডভিত্তিক পেমেন্ট ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস)-এর কারণে ই-কমার্স খাত সম্প্রসারিত হচ্ছে, নগদের ওপর নির্ভরতা কমছে এবং আর্থিক লেনদেন আরও স্বচ্ছ হচ্ছে।
অ্যামচেম প্রস্তাব করেছে, প্রাথমিকভাবে ব্যাংক, ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান বা এমএফএস সেবাদাতারা এই প্রণোদনা দিতে পারে এবং পরবর্তীতে তথ্য অর্থ মন্ত্রণালয় বা বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দিয়ে সমন্বয় করা যেতে পারে। তারা করনীতি সহজীকরণ, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি এবং ডিজিটাল লেনদেন সম্প্রসারণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে বলেছে।
এছাড়া অ্যামচেম দ্বৈত কর পরিহার চুক্তি অনুযায়ী সরাসরি করহার প্রয়োগ, উৎসে কর কর্তনের হার পরিবর্তন, ডিজিটাল পেমেন্ট অবকাঠামো সম্প্রসারণে পিওএস মেশিন ও স্মার্টকার্ডের ওপর শুল্ক হ্রাস এবং ভ্যাট ও সম্পূরক শুল্ক কাঠামোয় পরিবর্তনের সুপারিশ করেছে। তৈরি পোশাক খাতের পুনর্ব্যবহার শিল্পকে শক্তিশালী করতে বর্জ্য সংগ্রহ ও সরবরাহ সেবাকে ভ্যাট অব্যাহতের আওতায় আনার প্রস্তাবও রয়েছে।
একই সঙ্গে বাংলাদেশ চায়না চেম্বার অব কমার্স ব্যক্তিগত আয়করের সর্বোচ্চ হার ২০ শতাংশ নির্ধারণের এবং গার্মেন্টস খাতে দেশীয় কাঁচামালের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব দিয়েছে। বাংলাদেশ উইমেন চেম্বার অব কমার্স নারী উদ্যোক্তাদের সুবিধা বৃদ্ধি, ট্রেড লাইসেন্স ফি কমানো ও আয়করমুক্ত সীমা বাড়ানোর সুপারিশ করেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের ব্যবসায়ী সংগঠন ইউরোচ্যাম বিনিয়োগবান্ধব করনীতি, প্রক্রিয়া সহজীকরণ এবং মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে।