দিন শেষে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ১০৭ দশমিক ৪৬ পয়েন্ট বা দুই দশমিক শূন্য পাঁচ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে পাঁচ হাজার ১১২ দশমিক ২৭ পয়েন্টে।
শরিয়াহভিত্তিক সূচক ডিএসইএস ১৮ দশমিক ৪৭ পয়েন্ট বা এক দশমিক ৭৪ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৪১ দশমিক ১০ পয়েন্টে। এছাড়া শীর্ষ ৩০টি কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএস৩০ সূচক ৩৫ দশমিক শূন্য দুই পয়েন্ট কমে এক হাজার ৯৪৫ দশমিক ৩৩ পয়েন্টে নেমে এসেছে।
দিন শেষে ডিএসইতে ২৫টি কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে। বিপরীতে কমেছে ৩৫৪টির শেয়ারের দাম। অপরিবর্তিত রয়েছে ১১টির দাম।
দাম বাড়ার শীর্ষে যারা
মূল্যবৃদ্ধির তালিকায় শীর্ষে রয়েছে রংপুর ফাউন্ড্রি। কোম্পানিটির শেয়ারদর সাত দশমিক শূন্য তিন শতাংশ বেড়ে ১৫৮ টাকা ৩০ পয়সায় উঠেছে। তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ড্যাফোডিল কম্পিউটারস। কোম্পানিটির শেয়ারদর পাঁচ দশমিক ৭৫ শতাংশ বেড়ে ৮৫ টাকা ১০ পয়সা থেকে ৯০ টাকায় দাঁড়িয়েছে।
এছাড়া বিএনআইসিএল’র শেয়ারদর চার দশমিক ৫৫ শতাংশ বেড়ে ৬৩ টাকা ৭০ পয়সা থেকে ৬৬ টাকা ৬০ পয়সায় উঠেছে। এশিয়াটিক ল্যাবের শেয়ারদর চার দশমিক ৫১ শতাংশ বেড়ে ৭৯ টাকা ৭০ পয়সা থেকে ৮৩ টাকা ৩০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।
তালিকার পঞ্চম স্থানে থাকা জনতা ইনস্যুরেন্সের শেয়ারদর তিন দশমিক ৮৯ শতাংশ বেড়ে ৩০ টাকা ৮০ পয়সা থেকে ৩২ টাকায় উন্নীত হয়েছে।
দাম কমার শীর্ষে যারা
লেনদেন শেষে মূল্যহ্রাসের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে নিউ লাইন। কোম্পানিটির শেয়ারদর ৯ দশমিক ৮০ শতাংশ কমে ৬ টাকা ১০ পয়সা থেকে ৫ টাকা ৫০ পয়সায় নেমে এসেছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা ফ্যামিলি টেক্স’র শেয়ারদর ৯ দশমিক ৬৭ শতাংশ কমে ৩ টাকা ১০ পয়সা থেকে ২ টাকা ৮০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। এছাড়া জিএসপি ফাইন্যান্সের শেয়ারদর ৯ দশমিক ৪৩ শতাংশ কমে ৫ টাকা ৩০ পয়সা থেকে ৪ টাকা ৮০ পয়সায় নেমেছে।
তালিকার চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে রয়েছে যথাক্রমে ইবিএল এনআরবি মিউচ্যুয়াল ফান্ড ও ট্রাস্ট ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড।