এ ঘটনায় ভুক্তভোগী অটোরিকশা চালক মো: ইদ্রিস (৫৪) বাদী হয়ে বন্দর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ক্ষতিগ্রস্ত ইদ্রিস বন্দর থানার জাঙ্গাল (বারপাড়া) এলাকার মৃত সাহেব আলীর ছেলে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আজ আনুমানিক ১০.০০ ঘটিকার সময় চালক ইদ্রিস নিজের পেশাগত কাজে অটোরিকশা নিয়ে বের হন। পথিমধ্যে কেওঢালা হতে পুলিশ পরিচয়ে যাত্রী হিসেবে ওঠেন উক্ত অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি। সে বন্দর থানাধীন দেওয়ানবাগ এলাকায় যাওয়ার কথা বলে এবং নিজেকে বন্দর থানার এসআই (উপ-পরিদর্শক) পরিচয়ে ইদ্রিসের আস্থা অর্জন করে।
প্রতারক ব্যক্তি চালক ইদ্রিসকে কেওঢালা থেকে মদনপুর দেওয়ানবাগে নিয়ে যায়। সেখানে পৌঁছানোর পর প্রতারক জানায় তার কিছু প্রয়োজনীয় মালামাল রয়ে গেছে। তা দ্রুত নিয়ে আসার জন্য সে কৌশলে চালক ইদ্রিসকে একটি স্থানে মালামাল খোঁজার বাহানায় নামিয়ে দেয় এবং অটোরিকশাটি নিজের জিম্মায় রাখে। চালক প্রতারকের কথায় বিশ্বাস করে মালামাল খুঁজতে গেলে, সেই সুযোগে প্রতারক অটোরিকশাটি নিয়ে চম্পট দেয়।
পরবর্তীতে ইদ্রিস ঘটনাস্থলে ফিরে এসে নিজের অটোরিকশা ও তথাকথিত পুলিশ কর্মকর্তাকে না পেয়ে হতবাক হয়ে যান। আশেপাশের বিভিন্ন স্থানে খোঁজখবর নিয়েও অটোরিকশাটির কোনো সন্ধান মেলেনি।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী চালক জানান, "একমাত্র সম্বল অটোরিকশাটি হারিয়ে আমি ও আমার পরিবার এখন চরম নিরাপত্তাহীনতা ও অর্থকষ্টে দিন কাটাচ্ছি।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ জামাল উদ্দীন জানায়, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। জড়িত প্রতারককে শনাক্ত করা এবং চোরাই অটোরিকশাটি উদ্ধারে আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।