গণতন্ত্র উন্নয়নের চাবিকাঠি উল্লেখ করে তিনি বলেন, আশাকরি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা বাংলাদেশ দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত হবে এবং আমরা সবাই জিয়ার আদর্শ অনুরসণ করে বাংলাদেশকে একটি উন্নত সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিনত করতে সক্ষম হব। শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়ার আদর্শ অনুসরণ করে আমাদের নেতা তারেক রহমান তিনিও অত্যান্ত অনুপ্রাণিত হয়েছেন এবং পিতা মাতার আদর্শ অনুসরণ করে বাংলাদেশকে উন্নতির পথে পরিচালিত করতে সক্ষম হবে বলে আমরা দৃঢ়ভাবে আশা করি।
জিয়াউর রহমান হত্যার প্রসঙ্গে বলেন, অসময় তাকে যদি ঘাতকরা হত্যা না করতো বাংলাদেশ আজ অত্যান্ত সমৃদ্ধ একটি রাষ্ট্রে পরিনত হতো। দেশবাসির যেসকল সমস্যা রয়েছে সমস্যা সমূহের অনেকটাই তিনি সমাধান করতে সক্ষম হতেন।
শনিবার (৩০ মে) সকালে ভোলা জেলা বিএনপি কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক কর্মকান্ড উল্লেখ করে স্পিকার বলেন, আজকে তিনি নেই কিন্তু তার জাতীয়তাবাদী আদর্শ বাংলাদেশকে পরিচালনা করছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল চারবার জনগণের সমর্থন নিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসেছে। বিগত ১৬ বছর অনেক অত্যাচার নির্যাতন সহ্য করে বিএনপির তৎকালিণ চেয়ারম্যান বেগম খালেদা জিয়া অনেক দুঃসময় অতিক্রম করেছেন আর গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। বেগম জিয়া বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী।
জিয়াউর রহমানের আর্ন্তজাতিক যোগাযোগ তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশের বাইরেও তার রাষ্টনায়কোচিত দক্ষতা ছড়িয়ে গিয়েছিল। সেজন্য মুসলিম বিশ্বের রাষ্ট্র নায়করা ঐক্যবদ্ধভাবে তাকে আল কুদস কমিটির সদস্য নির্বাচিত করেন। অর্থাৎ মুসলিম বিশ্বের মধ্যে বিবাধ মধ্যস্থতা করার জন্য জিয়াউর রহমানকে রাষ্ট্র নায়করা বেছে নেন। এটি বাংলাদেশের জন্য এক বিরাট গৌরবের। এছাড়া জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে মহান মুক্তিযুদ্ধের অজন নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ভোলা জেলা বিএনপির আহবায়ক গোলাম নবী আলমীর সহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।