রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে তার বসতঘরের মেঝে খুঁড়ে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত মরিয়ম উপজেলার সিধুলী ইউনিয়নের চর লোটাবর গ্রামের বাহাদুর মণ্ডলের মেয়ে এবং সিধুলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। গ্রেপ্তার জামিনুর ইসলাম একই এলাকার মৃত আলতাফুর রহমানের ছেলে।
পুলিশ ও মামলার বিবরণী সূত্রে জানা যায়, গত ১০ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে বিদ্যালয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয় মরিয়ম। মেয়েটি স্কুলে না পৌঁছানোয় এবং কোনো সন্ধান না মেলায় তার বাবা মাদারগঞ্জ মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরবর্তীতে শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত দুইটার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জামিনুরের বাড়িতে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় তার বসতঘরের মেঝে খনন করে মাটির নিচে চাপা দেওয়া অবস্থায় শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। একইসঙ্গে জামিনুর ও তার স্ত্রী বিবিতা বেগমকে আটক করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পারে, জামিনুর শিশু মরিয়মকে নিজের ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করেন এবং পরবর্তীতে তাকে হত্যা করে ঘরের মেঝেতে মাটিচাপা দিয়ে রাখেন। বিষয়টি টের পাওয়ার পর জামিনুর তার স্ত্রীকে ঘটনাটি গোপন রাখতে নির্দেশ দেন।
শিশুটির বাবা বাহাদুর মণ্ডল এই পৈশাচিক ঘটনার বিচার ও আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেছেন। মাদারগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) স্নেহাশীষ রায় জানান, এ ঘটনায় আটককৃতদের মধ্যে জামিনুর ইসলামকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে বিকেলে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।