রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর ) দুপুরের দিকে উপজেলার সাপমারা ইউনিয়নের পন্ডিতপুর গ্রামে নিজ বাড়িতে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষে মকবুল হোসেন বলেন, পন্ডিতপুর মৌজাস্থ জেএল-৮৬ এর ৫ নং খতিয়ানের ৫০৫ দাগে প্রায় ৭ একর জমি অন্তত ৪০ বছর ধরে পন্ডিতপুর গ্রামের ১৫ থেকে ১৬টি পরিবার চাষাবাদসহ ভোগদখল করে আসছিল।
জমিগুলো সম্প্রতি একই গ্রামের সাঁওতাল সম্প্রদায়ের লুকাস মরমু, বীরেন মরমু ও ইস্তিফানসহ কয়েকজন ব্যক্তি বাপ-দাদার দাবি করছে।
মকবুল হোসেন আরও বলেন, তাদের সঙ্গে বিবাদে না গিয়ে আমরা বিষয়টি সুষ্ঠু সমাধানের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরে তদন্ত পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করেছি। কিন্তু সম্প্রতি সাপমারা ইউনিয়নে কর্মরত তহসিলদার বেলাল হোসেন তাদেরকে না জানিয়ে প্রতিপক্ষের সঙ্গে আতাত করে গোপনে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে।
বিষয়টি পুনঃতদন্তের জন্য আপনাদের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি। সেই সঙ্গে তহসিলদার বেলাল হোসেনকে অপসারণের দাবি জানাচ্ছি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, আব্দুল কুদ্দুস সরকার, মো. বাদশা মিয়া, লোকমান হোসেন, শাহীন মিয়া, রাজ্জাক মন্ডল, মোস্তফা, জাফিরুল ইসলাম, ওয়েজ কুরনী, আবদুল মতিন ও আবদুল লতিফ সহ অন্যরা।
এবিষয়ে প্রতিপক্ষ লুকাস মরমু ও বীরেন মরমুর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, ওই জমিগুলো আমাদের বাপ-দাদার ছিল। তারা জোরপূর্বক জমিগুলো দখলে রেখেছেন। জমি উদ্ধার করতে গিয়ে আমাদের সঙ্গে বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে।
এ ব্যাপারে উপজেলার সাপমারা ইউনিয়ন ভ‚মি উপসহকারী (তহসিলদার) কর্মকর্তা বেলাল হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তদন্তের বিষয়টি অস্বীকার করে তিনি বলেন, আমার জানা মতে তাদেরকে নোটিশ করে অফিসে ডাকা হয়েছে , কিন্তু তারা আসেনি।