দীর্ঘ ১৮ দিনের এই অভিযানে ডুবোযান ব্যবহার করে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৭০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ মিটার গভীরতায় নতুন এই খনিজ ক্ষেত্রটি আবিষ্কার করেন গবেষকরা।
উত্তপ্ত সামুদ্রিক জলউৎস বা হাইড্রোথার্মাল ভেন্ট থেকে সংগ্রহ করা আকরিকের নমুনার প্রাথমিক পরীক্ষায় দেখা গেছে, এসব আকরিকে স্বর্ণ ও রূপার ঘনত্ব স্থলভাগের অনেক খনির তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।
কিছু নমুনায় প্রতি টন আকরিকে সর্বোচ্চ ১৫ দশমিক ৪ গ্রাম স্বর্ণ এবং ১ হাজার ২৭১ গ্রাম পর্যন্ত রূপার উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এ ছাড়া খনিজ ভান্ডারটিতে তামা ও দস্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ ধাতুর পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ পলিমেটালিক সালফাইডের সন্ধান মিলেছে। গবেষকদের মতে, এসব বৈশিষ্ট্য এটিকে বিশ্বমানের সমুদ্রগর্ভস্থ খনিজ ভান্ডারের সঙ্গে তুলনীয় করে তুলেছে।
খনিজ ক্ষেত্রটির আশপাশের চরম পরিবেশেও বিভিন্ন ধরনের সামুদ্রিক প্রাণীর বিচরণ লক্ষ্য করেছেন গবেষকরা। তবে গভীর সমুদ্রের প্রচণ্ড চাপ, প্রতিকূল পরিবেশ এবং প্রযুক্তিগত জটিলতার কারণে এই খনিজ সম্পদ এখনই উত্তোলন করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন তারা।
সূত্র: গ্লোবাল টাইমস