আজ শুক্রবার (২৪জুলাই) বেলা ১১টার দিকে ভোলা শহরের মাসুমা খানম বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের হল রুমে গ্রাহকদের এক মতবিনিময় সভা থেকে এ দাবি জানায় সংগঠনটি।
এ সময় ঘরে ঘরে গ্যাস সংযোগ বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি মো. রবিউল আলমের সভাতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সাধারন সম্পাদক আমিরুল ইসলাম, আলমগীর হোসেন,শাহে আলম, মো. বেলাল হোসেন, আয়েশা ছিদ্দিকাসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
সভায় বক্তারা বলেন, ভোলায় তিনিটি গ্যাস ক্ষেত্রের ৯টি কুপে গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেছে। বর্তমানে একটি কুপ থেকে গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছে। ওই কুপটি থেকে দৈনিক ১২০মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করার সক্ষমতা থাকলেও বিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ কয়েকটি কারখানায় ৭০ থেকে ৮০ মিলিয়ন ঘনফফুট গ্যাস ব্যবহার হয়ে থাকে। বাকী ৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মজুদ থাকে।
অথচ ভোলার আবাসিক চাহিদা মাত্র এক থেকে দুই মিলিয়ন ঘনফুট। বিপুল পরিমান গ্যাস মজুদ থাকা সত্তেও ভোলার মানুষকে সামান্যতম গ্যাস সরবারহ না করে বঞ্চিত করা হচ্ছে।
ভোলায় আবাসিক খাতে গ্যাস চাওয়ার অনেকগুলো যৌক্তিক কারন রয়েছে। এর মধ্যে ভোলায় বিপুল পরিমান গ্যাস মজুদ থাকলেও জাতীয় গ্রিডে সংযুক্ত করা হয়নি। শিল্পকারখানায় ব্যবহারের পর মজুদ থাকা ৫০মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস থেকে মাত্র এক থেকে দুই মিলিয়ন গ্যাস বরাদ্দ দিলেই ভোলার মানুষের আবসিক গ্যাসের চাহিদা মেটানো সম্ভব। এর আগে সরকারি অর্থ খরচ করে আবাসিক গ্যাস সংযোগের জন্য ১০৪কিলোমিটার পাইপ লাইন বসানো হয়েছে, তাই ভোলায় আবাসিক গ্যাস সংযোগ চালু করলে নতুন করে সরকারের কোনো অর্থ ব্যয় হবে না। আর সরকার আবাসিকের অনুমতি দিয়ে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব আয় করতে পারবে।
এছাড়াও ২০১৮-২০১৯ সালের দিকে গ্যাস সংযোগের জন্য সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ৫৭৭জন গ্রাহক ব্যাংকে টাকা জমা দিয়েছেন এবং আরো প্রায় পাঁচ হাজার গ্রাহক আবেদন করেছেন। তাই জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার আগ পর্যন্ত ভোলায় আবাসিক গ্যাস সংযোগ দেওয়ার যৌক্তিকতা রয়েছে বলে জানান তারা।