এ ছাড়া সহসভাপতি পদে ১৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক মাতৃছায়ার প্রতিনিধি মো. সোলাইমান। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে ২৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন একাত্তর টিভির প্রতিনিধি কামরুল ইসলাম। কোষাধ্যক্ষ পদে ২৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক যায়যায়দিনের স্টাফ রিপোর্টার নুরে আলম ফয়জুল্লাহ।
নির্বাচনে পাঁচটি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ১৬ জন প্রার্থী। প্রেসক্লাবের নির্বাহী কমিটিতে ১১টি পদ থাকলেও ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও পাঠাগার সম্পাদক পদে কোনো প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেননি। এ ছাড়া দপ্তর সম্পাদক পদে ছোটন সাহা এবং নির্বাহী সদস্য পদের দুইটির মধ্যে একটিতে মো. মোতাছিন বিল্লাহ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন। নির্বাহী সদস্য পদের বাকি একটি পদে একজন মনোনয়নপত্র জমা দিলেও তা প্রত্যাহার করায় পদটি শূন্য রয়েছে।
সভাপতি পদে ইত্তেফাকের জেলা প্রতিনিধি আহাদ চৌধুরী তুহিন পেয়েছেন ১৩ ভোট এবং কালবেলার প্রতিনিধি মো. ওমর ফারুক পেয়েছেন ১১ ভোট। সহসভাপতি পদে একুশে টিভির প্রতিনিধি মেজবাহ উদ্দিন শিপু পেয়েছেন ১৬ ভোট এবং দি ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেসের প্রতিনিধি আ. সহিদ তালুকদার পেয়েছেন ৮ ভোট।
সাধারণ সম্পাদক পদে মানবজমিনের প্রতিনিধি মনিরুল ইসলাম পেয়েছেন ১২ ভোট, যুগান্তরের প্রতিনিধি এম হেলাল উদ্দিন পেয়েছেন ৫ ভোট, এনটিভির প্রতিনিধি আফজাল হোসেন পেয়েছেন ৪ ভোট, বাসসের প্রতিনিধি আল আমিন শাহরিয়ার পেয়েছেন ১ ভোট এবং আমারদেশের প্রতিনিধি ইউনুস শরীফ পেয়েছেন ১ ভোট।
যুগ্ম সম্পাদক পদে মোহনা টিভির প্রতিনিধি মো. জসিম রানা পেয়েছেন ১৯ ভোট এবং দিনকালের প্রতিনিধি মো. মিজানুর রহমান পেয়েছেন ১৫ ভোট।
নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন ভোলা সরকারি কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর মো. জামাল হোসেন। কো-চেয়ারম্যান ছিলেন কলেজ শিক্ষক সমিতির (সেলিম ভুইয়া) জেলা সভাপতি মো. এনামুল হক এবং জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ইয়ারুল আলম লিটন। নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্বে ছিলেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. ইউছুফ (২), জেলা আইনজীবী সমিতির সহ সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ তোয়াহা, সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. আরিফুর রহমান এবং সোনালী অতীত ক্লাবের সভাপতি খন্দকার আল আমিন।