রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, মাদক ও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ এবং সুশাসন নিশ্চিতকরণবিষয়ক সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব তথ্য জানান।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চরিত্রহননের চেষ্টা করা হচ্ছে উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী বলেন, আমরা ফ্রিডম অব এক্সপ্রেশন, ফ্রিডম অব স্পিচ, ফ্রিডম অব কনসায়েন্স, বিবেকের স্বাধীনতা ও কথা বলার স্বাধীনতা চাই। একইসঙ্গে ইয়েলো জার্নালিজম এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যেভাবে মানুষের চরিত্রহননের চেষ্টা করা হয়, সেটা নিয়ন্ত্রণের দাবিও বিভিন্ন দিক থেকে আসছে।
তিনি বলেন, সাইবার আইন-২০২৬ যথেষ্ট নয়, এমন মতামতের পর আইনটি সংশোধনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সংশোধনী প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় পাঠানো হলেও মানুষের বাক্স্বাধীনতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তা আরো যাচাই-বাছাইয়ের জন্য একটি উপকমিটিতে পাঠানো হয়।
মন্ত্রী বলেন, সংশোধনী প্রস্তাব নিয়ে ইতিমধ্যে জনপরামর্শের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
প্রথম ধাপে জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন পত্রিকা ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের সম্পাদকদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মতামতও নেয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে সাংবাদিকদের কোনো পরামর্শ থাকলে তা সংশ্লিষ্ট কমিটিতে আলোচনার জন্য উপস্থাপন করা হবে।
আইনমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোরভাবে দমন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে যেমন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, তেমনি রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিএনপির কোনো নেতা যদি এ পথে বাধা হয়ে দাঁড়ান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী তাকেও বিবেচনায় নেওয়া হবে না।
এর আগে সকাল ৯টায় সাতক্ষীরা জেলা জজ আদালতের সম্মেলনকক্ষে জেলা পর্যায়ের বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন আইনমন্ত্রী। পরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভায় যোগ দেন তিনি।