স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে কেরানিহাট বাজারের প্রবেশমুখে হঠাৎ কয়েকটি গুলির শব্দ শোনা গেলে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। শব্দ থামার পর স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে গিয়ে রাস্তার ওপর করিমের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। তবে অন্ধকারের কারণে হামলাকারীদের শনাক্ত করতে পারেননি প্রত্যক্ষদর্শীরা।
উরকিরচর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. আরমান জানান, নিহত করিমের মাথা ও বুকে গুলির ক্ষত এবং ঘাড়, হাত ও মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের তথ্য অনুযায়ী, নিহত করিমের বিরুদ্ধে মাদক কারবার, ছিনতাই, চুরি ও ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। মাদকসংক্রান্ত একটি মামলায় তিনি পূর্বে কারাভোগও করেছিলেন।
অপরাধজগতের অভ্যন্তরীণ বিরোধ অথবা মাদক ব্যবসার দ্বন্দ্বের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে বলে প্রাথমিক ধারণা করছে পুলিশ। খবর পেয়ে রাউজান থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম জানান, নিহতের শরীরে গুলি ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। করিমের বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগ ও তার অতীত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।