বৃহস্পতিবার জেনেভা থেকে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
ডব্লিউএমও জানিয়েছে, এল নিনো ইতোমধ্যে দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আগামী কয়েক মাসে এটি আরও তীব্র হয়ে উঠতে পারে। এর প্রভাবে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাত ও তাপমাত্রার স্বাভাবিক ধরণে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে।
সংস্থাটির সতর্কবার্তা অনুযায়ী, শক্তিশালী এল নিনোর কারণে বন্যা, খরা ও অতিরিক্ত তাপপ্রবাহের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। এতে বিভিন্ন অঞ্চলের কৃষি, পানি সরবরাহ ও জনস্বাস্থ্যের ওপরও বিরূপ প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা বলেছে, এল নিনোর প্রভাব সাধারণত বিশ্বজুড়ে আবহাওয়ার ওপর পড়ে। তবে এর প্রভাব অঞ্চলভেদে ভিন্ন হতে পারে। সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে আগাম প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি।