সাধারণত এসব দেশে নির্দিষ্ট স্লটার হাউজে (কসাইখানা) পশু কোরবানি দিতে হয়। সেখান থেকে মাংস প্রক্রিয়াজাতকরণ ও সরবরাহের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা স্থানীয় বিভিন্ন সুপারশপ ও দোকানে মাংস পৌঁছে দিতে দিতে বেলা ৩টা থেকে ৪টা বেজে যায়। এরপর দোকানে এনে মাংস কেটে গ্রাহকদের বুঝিয়ে দিতে আরও বেশ কয়েক ঘণ্টা সময় লেগে যায়। ফলে ঈদের দিন মাংস রান্না করা অনেকের জন্যই বেশ কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়ায়।
এ বছর ভেড়ি (ভেড়া) কোরবানির খরচ পড়েছে ৩৩৫ থেকে ৩৫০ পাউন্ড। অন্যদিকে, যারা গরুর মাংস ভাগে কোরবানি দিয়েছেন, তাদের প্রতি ভাগের জন্য খরচ হয়েছে প্রায় ৪০০ পাউন্ড। তবে ভেড়ির মাংস ঈদের দিন পাওয়া গেলেও, যারা গরু কোরবানি দিয়েছেন, তাদের মাংসের জন্য অন্তত ১ থেকে ২ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। এবারের কোরবানিতে একেকটি ভেড়ির ওজন গড়ে ৩৫ থেকে ৩৯ কেজি প্লাস বা সর্বোচ্চ ৪০ কেজির মধ্যে ছিল বলে জানিয়েছেন স্থানীয় মাংস ব্যবসায়ীরা।
এই দীর্ঘ অপেক্ষার ভিড়ে ইলফোর্ড বাজারের মতো কিছু ব্যতিক্রমী উদ্যোগও দেখা গেছে। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বরত ব্যক্তিরা ঈদের নামাজের পরপরই সরাসরি স্লটার হাউজে গিয়ে উপস্থিত হন এবং নিজস্ব তত্ত্বাবধানে পশু জবাই করে দ্রুততম সময়ে দোকানে মাংস নিয়ে আসেন। দুপুর ২টার মধ্যেই মাংস দোকানে চলে আসায় কাস্টমারদের খুব বেশি সময় অপেক্ষা করতে হয়নি। সরাসরি উপস্থিত থেকে ফ্রেশ মাংস পাওয়ার এই প্রক্রিয়া প্রবাসীদের মধ্যে বেশ স্বস্তি এনে দিয়েছে।