প্রতিবেদনে চিকিৎসকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, এখন থেকে কম বয়সী রোগীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার সময় নিয়মিতভাবে তাদের ‘স্ক্রিন টাইম’ (পর্দায় কাটানো সময়) এবং সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের অভ্যাস সম্পর্কে খোঁজ নেওয়া উচিত। তবে সামগ্রিকভাবে স্ক্রিন টাইম শিশুদের জন্য আসলেই ক্ষতিকর কি না, তা নিয়ে বৃহত্তর বৈজ্ঞানিক মহলে এখনো চূড়ান্ত একমত হওয়া যায়নি।
যুক্তরাজ্যের প্রযুক্তি বিষয়ক সচিব লিজ কেন্ডাল জানিয়েছেন, ১৬ বছরের কম বয়সীদের অনলাইন সুরক্ষায় নতুন ব্যবস্থা চলতি বছরের শেষ নাগাদ চালু করা হবে। এ বিষয়ে সরকারের পরামর্শ প্রক্রিয়াটি বর্তমানে শেষের পথে।
অস্ট্রেলিয়ার আদলে শিশুদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করার বিষয়টিও যুক্তরাজ্যের সরকারের বিবেচনায় থাকা অন্যতম একটি বিকল্প। কেন্ডাল জানান, এই পরামর্শ প্রক্রিয়ার প্রাপ্ত মতামত ও প্রতিক্রিয়া আগামী গ্রীষ্মকালে প্রকাশ করা হবে এবং বছরের শেষ নাগাদ চূড়ান্ত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
বিবিসি-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দৃঢ়তার সাথে কেন্ডাল বলেন:
“প্রশ্নটি এই নয় যে আমরা পদক্ষেপ নেব কি না—আমরা অবশ্যই পদক্ষেপ নেব।”
বিকল্প পদক্ষেপ ও জনমত
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম শিশুদের জন্য পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা সবচেয়ে কার্যকর উপায় কি না, তা নিয়ে অবশ্য প্রচারক ও অধিকারকর্মীদের মধ্যে তীব্র মতভেদ রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত মার্চ মাস থেকে যুক্তরাজ্য সরকার অভিভাবক ও শিশুদের মতামত যাচাই করছে। সেখানে অ্যাপ ব্যবহারের সময়সীমা বা নির্দিষ্ট ‘কারফিউ’ নির্ধারণ এবং আরও কঠোরভাবে বয়স যাচাইয়ের মতো পদক্ষেপগুলো অনলাইন নিরাপত্তা বাড়াতে কতটা ভূমিকা রাখবে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতোমধ্যে যুক্তরাজ্যের বেশ কিছু পরিবারে পরীক্ষামূলকভাবে এই ব্যবস্থাগুলো পরিচালনাও করা হয়েছে।