নিজের এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলে দেওয়া এক বিবৃতিতে রুপার্ট লো দাবি করেন, যে কর্মসংস্থানগুলো মূলত ব্রিটিশ নাগরিকদের পাওয়ার কথা ছিল, সেইসব পদের জন্য লাখ লাখ পাকিস্তানি ও ভারতীয় নাগরিককে ভিসা দেওয়া মোটেও উচিত হয়নি।
তিনি অভিযোগ করেন, ভারতীয় এবং পাকিস্তানিরা ব্রিটিশদের কর্মসংস্থান কেড়ে নেওয়ার পাশাপাশি ইংল্যান্ডের মূল সংস্কৃতিকে পুরোপুরি বদলে দিচ্ছে। মূলধারার ব্রিটিশ রাজনৈতিক দলগুলোর নমনীয় অভিবাসন নীতির কড়া সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, তৃতীয় বিশ্বের লক্ষাধিক অদক্ষ অভিবাসীকে দেশে প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার কারণে ইংল্যান্ডের বেশ কিছু এলাকা এখন প্রায় বিদেশি ভূখণ্ডে পরিণত হয়েছে।
অভিবাসন বিরোধিতার পাশাপাশি মুসলিম সম্প্রদায়ের ধর্মীয় রীতিনীতি নিয়েও তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এই ব্রিটিশ এমপি। ম্যানচেস্টারের কিছু নির্দিষ্ট এলাকার উদাহরণ টেনে তিনি দাবি করেন, এই অঞ্চলের বেশ কিছু এলাকা এখন পুরোপুরি ইসলামিক অঞ্চল হয়ে উঠেছে, যা ইংল্যান্ডের বুকে এক নতুন উপনিবেশবাদের জন্ম দিচ্ছে। এই পরিস্থিতি প্রতিরোধ করতে তিনি অবিলম্বে সমগ্র ব্রিটেনে বোরকা নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি প্রকাশ্য স্থানে নামাজ পড়ার ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের দাবি জানান। তাঁর এই উস্কানিমূলক ও বর্ণবাদী বক্তব্যের পর দেশ-বিদেশে বিভিন্ন মহল থেকে তীব্র নিন্দা ও সমালোচনার ঝড় বইছে।