নিহত আরিফ হোসেন চান্দিনা উপজেলার কেরণখাল ইউনিয়নের হাড়িখোলা মাজার বাড়ির আলী মিয়ার ছেলে। তিনি পেশায় ট্রাক্টর চালক ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পাশের দেবিদ্বার উপজেলার কুরুইন গ্রামের এক ব্যক্তির সিএনজিচালিত অটোরিকশা চুরি হয়। ওই চুরির ঘটনায় স্থানীয়রা সাকিল নামের সন্দেহভাজন একজনকে আটক করেন। সাকিলের দেওয়া তথ্যমতে সোমবার (৩১ আগস্ট) রাতে আরিফ হোসেনকে উপজেলার হাড়িখোলা এলাকা থেকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়।
সোমবার রাতভর বিভিন্ন স্থানে নিয়ে আরিফকে মারধর করা হয়। মঙ্গলবার সকালে তাকে হাড়িখোলায় নিয়ে আসা হয়। এর কিছুক্ষণ পর সেখান থেকে উপজেলার কুরুইন গ্রামের লোকজন আরিফকে ফের তুলে নিয়ে যায়। পরে আহত আরিফকে কয়েকজন উদ্ধার করে চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন|
নিহতের বাবা আলী মিয়া বলেন, আমার একমাত্র ছেলেকে তুলে নিয়ে তারা পিটিয়ে হত্যা করেছে। আমি এর বিচার চাই।
কেরণখাল ইউনিয়ন পরিষদের ওয়ার্ড সদস্য শামীম হোসেন বলেন, আরিফ হোসেন যদি অটোরিকশা চুরি করেও থাকতো, তাহলে এ ঘটনা তার অভিভাবক বা এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানানো উচিত ছিল| এভাবে ধরে নিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
চান্দিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুজ্জামান বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ফোন পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে দুপুরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। তদন্ত সাপেক্ষে ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।