মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে তিনি পার্বতীপুরে পৌঁছে বিভিন্ন রেল অঙ্গন ঘুরে দেখেন। তাঁর এ সফরকে ঘিরে রেলওয়ে অঙ্গন ও স্থানীয় প্রশাসনে ছিল বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা।রাষ্ট্রদূতের পরিদর্শনকালে পার্বতীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরাফাত আমান আজিজ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহমুদ হুসাইন রাজু, কেন্দ্রীয় লোকোমোটিভ কারখানার প্রধান নির্বাহী শেখ হাসিনুজ্জামানসহ বাংলাদেশ রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সফরকালে রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ রেলওয়ের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও কেন্দ্রীয় লোকোমোটিভ কারখানার বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। তবে তাঁর সফরের নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য বা আলোচনার বিষয় সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।পার্বতীপুর দেশের উত্তরাঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রেলওয়ে জংশন। এখানে রয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ের কেন্দ্রীয় লোকোমোটিভ কারখানা, রেলওয়ে বিভাগীয় কার্যালয়, বৃহৎ রেল ইয়ার্ডসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন স্থাপনা। দেশের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থায় পার্বতীপুরের রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সফরকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়।
রাষ্ট্রদূতের নিরাপত্তায় বাংলাদেশ রেলওয়ের নিরাপত্তা বাহিনী, রেলওয়ে পুলিশ, পার্বতীপুর মডেল থানা পুলিশ এবং রেলওয়ের গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন।পরিদর্শন শেষে মার্কিন রাষ্ট্রদূত নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনে সৈয়দপুরের উদ্দেশে পার্বতীপুর ত্যাগ করেন।রাষ্ট্রদূতের এ সফরকে ঘিরে স্থানীয় প্রশাসন, রেলওয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যায়।