শনিবার (২৩ মে) সিসিকের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী মৃত কর্মীদের স্ত্রীদের হাতে এই অনুদানের চেক তুলে দেন। অনুদানের চেক গ্রহণ করেন পানি শাখার পাম্প অপারেটর প্রয়াত হাসান মাহমুদ মাসুমের স্ত্রী মোছাম্মত সেলিনা আক্তার এবং পরিবহন শাখার গাড়িচালক প্রয়াত মো. আব্দুল হান্নানের স্ত্রী রোমানা বেগম।
চেক হস্তান্তরকালে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সিলেট সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সিসিকের মূল চালিকাশক্তি। কর্মরত অবস্থায় কোনো সহকর্মীর অকাল মৃত্যু অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তাঁদের পরিবারের এই অপূরণীয় ক্ষতি অর্থের পরিমাপে পূরণ করা সম্ভব নয়। তবে সিসিক সবসময় তার কর্মীদের কল্যাণে এবং যেকোনো দুর্যোগে পরিবারের পাশে দাঁড়াতে বদ্ধপরিকর। কর্মচারীদের স্বার্থ ও কল্যাণ সুরক্ষা করা আমাদের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব।
সিসিকের কর্মীদের আন্তরিকভাবে নগরবাসীর সেবা করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা সবাই নগরবাসীর সেবক। তাই সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে আমাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে হবে। নাগরিক সেবার মান যত বাড়বে, সিসিকের ভাবমূর্তিও তত উজ্জ্বল হবে।
কর্মচারীদের কল্যাণে সিসিক সব সময় পাশে থাকবে উল্লেখ করে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সহকর্মীদের যেকোনো যৌক্তিক দাবি ও কল্যাণের বিষয়ে সিসিক কর্তৃপক্ষ সবসময় ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করে। কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী সিটি করপোরেশনে চাকরি শেষে অবসর নিলে আমরা তাঁদের যথাযথ সম্মান জানানোর চেষ্টা করব। করপোরেশনের পক্ষ থেকে এককালীন অর্থ অনুদান প্রদানের পাশাপাশি সসম্মানে বিদায় সংবর্ধনার আয়োজন করা হবে। এমনকি অস্থায়ীভাবে কর্মরত কোনো কর্মচারীও যদি দায়িত্ব পালনকালে অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো দুর্ঘটনার শিকার হন বা মৃত্যুবরণ করেন, তবে মানবিক দিক বিবেচনা করে তাঁদের ক্ষেত্রেও এককালীন আর্থিক অনুদান প্রদানের ব্যবস্থা করা হবে।
চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সিসিকের কর্মচারী সংসদের সভাপতি আব্দুল বাছিত, সাধারণ সম্পাদক আখতার সিদ্দিকী বাবলু, সাবেক সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. মফিজ আলী, মো. ফয়জুর রহমান ও মো. মাহবুবুর রহমান।