শনিবার (২৩ মে) সকালের দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ধাপেরহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মতিয়ার রহমান।
নিহত শিমু বেগম গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার সুলতানপুর বড়াই এলাকার খাদেম আলী মেম্বারের মেয়ে এবং হাসান পাড়া গ্রামের আনোয়ারুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী।
এর আগে শুক্রবার (২২ মে) বিকেল সাড়ে পাঁচটার
দিকে সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের পালানপাড়া গ্রামের হাড়িপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানায়, কয়েক মাস আগে শিমু বেগম ও তার স্বামী আনোয়ারুল ইসলাম স্থানীয় শহিদুল ইসলামের নামের এক ব্যক্তির দুই শতাংশ জমি ক্রয় করে সেখানে বসবাস করছেন। শহিদুল ইসলাম জমি দলিল মূলে কবলা না করে দেওয়ায বিষয় নিয়ে স্ত্রীর শিমু বেগমের সাথে স্বামী আনোয়ারুল ইসলামের মধ্যে পারিবারিক বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে আগের দিন স্বামী -স্ত্রীর মধ্যে বাকবিতন্ডা,এমনকি শারীরিক নির্যাতনের ঘটনাও ঘটেছে। পরদিন বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে শয়ন ঘরে শিমু বেগমের গলায় ওড়না প্যাঁচানো মরদেহ দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করেছে।
সাদুল্যাপুর থানার ধাপেরহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মতিউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয় এবং ময়নাতনদের জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতাল প্রেরণ করা হয়েছে।