শিল্প সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, অনেক কারখানায় গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় পূর্ণ সক্ষমতার অর্ধেকও উৎপাদন করা সম্ভব হচ্ছে না। বিকল্প হিসেবে ডিজেলচালিত জেনারেটর ব্যবহার করতে গিয়ে উৎপাদন খরচ দ্বিগুণ হয়ে যাচ্ছে। ফলে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে এবং রপ্তানি আয়ের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, “হরমুজ প্রণালি বন্ধ হওয়ার উপক্রম হওয়ায় দেশে ডিজেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে, যা উৎপাদন ব্যাহত করছে। সরকারের নীতিগত সহায়তা এবং জ্বালানি সরবরাহে অগ্রাধিকার নিশ্চিত করতে হবে।”
বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান সতর্ক করে বলেন, “জ্বালানি সংকট দীর্ঘায়িত হলে পোশাক শিল্প আরও গভীর সংকটে পড়বে। আমরা ইতোমধ্যেই কারখানা পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় ডিজেলের চাহিদাপত্র তৈরি করেছি এবং সরকারের সঙ্গে আলোচনায় নেব।”
গবেষকরা বলছেন, নবায়নযোগ্য ও টেকসই জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো এবং কার্বন নিঃসরণ কমাতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, মার্চ মাসে নিট পোশাক থেকে রপ্তানি আয় কমেছে ১.৪২ বিলিয়ন ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২১.২০ শতাংশ কম। চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে তৈরি পোশাক শিল্প থেকে মোট রপ্তানি আয় হয়েছে ২৮.৫৭ বিলিয়ন ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫.৫১ শতাংশ কম।
সংক্ষেপে: জ্বালানি সংকটের প্রভাবে উৎপাদন কমে যাচ্ছে, খরচ বেড়েছে এবং রপ্তানি আয়ের ধারাবাহিক পতন পোশাক শিল্পকে মারাত্মক ঝুঁকিতে ফেলছে।