এই নতুন ব্যবস্থার ফলে গাড়ি চালকদের এখন আর প্রতিটি এলাকার জন্য আলাদা আলাদা পার্কিং অ্যাপ ব্যবহার করার প্রয়োজন পড়বে না। বর্তমানে ইংল্যান্ডের প্রায় ১০টি লোকাল অথরিটি বা কাউন্সিল এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হয়েছে। এর ফলে রিংগো (RingGo), পে-বাই-ফোন (PayByPhone) বা জাস্ট পার্ক (JustPark)-এর মতো জনপ্রিয় অ্যাপগুলোর যেকোনো একটি ব্যবহার করেই চালকরা নির্ধারিত স্থানে পার্কিং পেমেন্ট করতে পারবেন। উদাহরণস্বরূপ, কোনো এলাকা যদি নির্দিষ্টভাবে 'পে-বাই-ফোন'-এর আওতাভুক্তও হয়, চালক চাইলে তার ফোনে থাকা 'রিংগো' অ্যাপ দিয়েই পেমেন্ট সেরে নিতে পারবেন। সিস্টেমটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেই অর্থ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছে দেবে।
দেশটির ট্রান্সপোর্ট সেক্রেটারি হেইডি আলেকজান্ডার এই উদ্যোগের প্রশংসা করে জানিয়েছেন, নেশনওয়াইড এই প্ল্যাটফর্ম চালকদের জন্য পার্কিং প্রক্রিয়াকে অত্যন্ত সহজ করে তুলবে এবং অ্যাপ জটিলতার কারণে অনাকাঙ্ক্ষিত জরিমানা থেকে তাদের রক্ষা করবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এটি মূলত একটি কেন্দ্রীয় তথ্য আদান-প্রদান ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করবে, যা চালকদের সময় ও মানসিক চাপ দুই-ই কমাবে।
প্রকাশিত সরকারি নির্দেশনাটি সরাসরি কঠোর আইন না হলেও, কাউন্সিলগুলোর জন্য এটি মেনে চলা বাধ্যতামূলক পর্যায়ের পরামর্শ হিসেবে গণ্য হচ্ছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোনো কাউন্সিল যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া এই ব্যবস্থা গ্রহণে ব্যর্থ হলে বা নিয়ম লঙ্ঘন করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ থাকবে। সরকার আশা করছে, দ্রুতই ইংল্যান্ডের অধিকাংশ কাউন্সিল এই প্ল্যাটফর্মে সাইন-আপ করবে, যার ফলে দেশজুড়ে একটি সমন্বিত এবং চালক-বান্ধব পার্কিং ব্যবস্থা গড়ে উঠবে।