আহত ওই শিক্ষার্থী মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। সে মুকসুদপুর উপজেলার ঢালিকান্দী গ্রামের শাওন মোল্লার ছেলে এবং কদমপুর হাফেজিয়া মাদরাসার কায়দা বিভাগের ছাত্র।
অভিযুক্ত শিক্ষক এনামুল মোল্লা একই উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের কদমপুর গ্রামের মোক্তার মোল্লার ছেলে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাতে কদমপুর হাফেজিয়া মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) কদমপুর হাফেজিয়া মাদরাসার একটি ক্যালকুলেটর চুরি হয়। শিক্ষার্থী আহম্মদ মোল্লার বিরুদ্ধে ক্যালকুলেটর চুরির অভিযোগ আনা হয়। তারপর মাদরাসার শিক্ষক এনামুল মোল্লা বেধড়ক পিটিয়ে ওই শিক্ষার্থীকে আহত করে। পরে শিক্ষার্থীর পরিবারের লোকজন তাকে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
আহত আহম্মদের বাবা শাওন মোল্লা বলেন, মাদরাসার একটি ক্যালকুলেটর চুরির ঘটনায় আমার ছেলেকে নির্দয়ভাবে বেধড়ক পিটানো হয়েছে। প্রায় ১ বছর যাবত এ মাদরাসায় আমার ছেলে পড়াশোনা করছে, এমন অভিযোগ কখনো দিতে পারে নাই। মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে আমার ছেলেটাকে পেটানো হয়েছে। আমি পাষণ্ড শিক্ষক এনামুলের শাস্তি চাই।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মাদরাসা শিক্ষক এনামুলের ভাই আমিনুল হক বলেন, আহম্মদকে মারধর করা হয়নি। এমনিতেই পড়ে গিয়ে ব্যথা পেয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন ।
এবিষয়ে মুকসুদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, আমরা শিক্ষককে প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আমাদের হেফাজতে রেখেছি। শিক্ষার্থীর পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ দিলে পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।