বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ভোরে গাজীপুরের কোনাবাড়ী এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, লিটন ওই দোকানের কর্মচারী হিসেবে চুরির পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করেন। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাকে গ্রেপ্তারের পর তার কাছ থেকে ৩৩ লাখ ২১ হাজার টাকা মূল্যের ১৫ ভরি ০.৫৮ আনা স্বর্ণ এবং ৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা মূল্যের ২২০ ভরি রৌপ্যের অলংকার উদ্ধার করা হয়।যার আনুমানিক বাজার মূল্য ৬৫ লক্ষ টাকা।
রাজবাড়ী পুলিশ সুপার মীর মনির হোসেন বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার করে আসামির অবস্থান শনাক্তের পর পাংশা থানার একটি চৌকস অভিযানিক দল ১ অক্টোবর ভোর ৫টার দিকে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কোনাবাড়ী মধ্যপাড়া এলাকা থেকে মামলার ১ নম্বর আসামি জাহিদুল ইসলাম লিটনকে গ্রেপ্তার করে।উদ্ধারকৃত মালামাল জব্দ করে গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িত অন্যান্য সহযোগীদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
উল্লেখ্য, গত ২৮ সেপ্টেম্বর দুপুর থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর সকাল ৯ টার মধ্যে পাংশা শহরের দত্ত মার্কেটে অবস্থিত 'পিংক জুয়েলার্স'-এ থেকে আসামী স্বর্ণ-রৌপ্য অলংকার চুরি করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ৩০ সেপ্টেম্বর দোকানের মালিক শহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে পাংশা মডেল থানায় মামলা করেন।