শুক্রবার (২২ মে) কুমিল্লায় বিআরটিএ ট্রাস্টি বোর্ড ও বাংলাদেশ রেলওয়ের উদ্যোগে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত ১১৯ জন পরিবারের মাঝে ৪ কোটি ৮৯ লাখ টাকার চেক বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, জনগণ সচেতন হলে, পরিবহন ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা করলে এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এবারের ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক করা সম্ভব হবে।
অনুষ্ঠানে কুমিল্লা জেলা প্রশাসন ও বিআরটিএ কুমিল্লা সার্কেলের যৌথ উদ্যোগে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ক্ষতিপূরণ বিতরণ করা হয়।
সেতুমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কগুলোর মধ্যে ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কে সবচেয়ে বেশি চাপ থাকে। এ কারণে এই সড়ককে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সরকারের মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার মহাসড়ক ৮ লেনে, ৬০০ কিলোমিটার ৬ লেনে এবং প্রায় ১ হাজার কিলোমিটার সড়ক ৪ লেনে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে, যা ২০৩১ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
তিনি জানান, দেশে প্রতিবছর গড়ে প্রায় সাড়ে চার হাজার মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারায়। এর প্রধান কারণ চালকদের অদক্ষতা, ফিটনেসবিহীন যানবাহন এবং জনগণের অসচেতনতা। এসব কমাতে সরকার কাজ করছে এবং দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পুনর্বাসনেও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মো. জিয়াউল হক, বিআরটিএ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাবিবুর রহমানসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।