উপজেলা প্রশাসন ঘোষিত আটটি অস্থায়ী কোরবানির পশুর হাটের মধ্যে সাতটি হাটে ব্যবহৃত সামগ্রী ও বর্জ্য অপসারণের কাজ শুরু হয়েছে। তবে অদৃশ্য কারণে রশুনিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বসানো হাটের বাঁশ, খুঁটি ও অন্যান্য সামগ্রী এখনো মাঠজুড়ে পড়ে থাকতে দেখা গেছে।
অস্থায়ী কোরবানির পশুর হাট ইজারা ব্যবস্থাপনার শর্ত অনুযায়ী, হাট সমাপ্ত হওয়ার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে হাটের সকল বর্জ্য ও স্থাপনা অপসারণ করে মাঠ পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়ার কথা। কিন্তু ঈদের সাতদিন পেরিয়ে গেলেও সেই নির্দেশনা বাস্তবায়ন হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের মাঠে এখনো বিপুল পরিমাণ বাঁশ পড়ে রয়েছে। এছাড়া বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের জন্য মাঠ কেটে তৈরি করা ড্রেনও মাটি দিয়ে ভরাট করা হয়নি। এতে বিদ্যালয় খুললে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা, শারীরিক শিক্ষা (পিটি) ও অন্যান্য কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করছেন অভিভাবকরা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন অভিভাবক জানান, দীর্ঘ ছুটির পর বিদ্যালয় খুলতে যাচ্ছে। কিন্তু মাঠের বর্তমান অবস্থা দেখে তারা উদ্বিগ্ন। দ্রুত বর্জ্য অপসারণ ও মাঠ সংস্কারের দাবি জানান তারা।
এ বিষয়ে রশুনিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অস্থায়ী হাটের সার্বিক পরিচালনার দায়িত্বে থাকা দেলোয়ার হোসেন দুলাল (মেম্বার)-এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “প্রতিদিনই কাজ হচ্ছে। আমরা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ চালিয়ে যাচ্ছি।” এরপর তিনি ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
সিরাজদিখান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুম্পা ঘোষ বলেন, “আমি গত পরশুদিনই সকল ইজারাদারকে নির্দেশনা দিয়েছি, বিদ্যালয় খোলার আগেই যেন হাটের সব বর্জ্য অপসারণ করা হয়। যারা এখনো তা করেনি, তাদের বিষয়েও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হচ্ছে।”
স্থানীয়দের আশা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে দ্রুত হাটের অবশিষ্ট বর্জ্য ও অবকাঠামো অপসারণ করে মাঠ ব্যবহারের উপযোগী করা হবে।