স্থানীয়দের দাবি, বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী এসব দোকান থেকে প্রতি মাসে কমপক্ষে ২০ হাজার টাকা ভাড়া আদায় করা সম্ভব। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে ভাড়া পুনর্নির্ধারণ না করায় ইউনিয়ন পরিষদ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে।
দোকানগুলোর একজন ভাড়াটিয়া ও বাসাইল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য মো. ফিরোজ হোসেন বলেন, “টেন্ডারের মাধ্যমে আমরা ৭ জন ৭টি দোকানের পজিশন ক্রয় করেছিলাম। সে অনুযায়ী আমি আমার দোকানের জন্য ইউনিয়ন পরিষদকে মাসিক ১৫০ টাকা জমিদারি ভাড়া দিয়ে আসছি। চুক্তিতে ভাড়া বৃদ্ধির বিষয়টি উল্লেখ ছিল কি না, তা নিশ্চিতভাবে বলতে পারছি না। চুক্তিপত্র দেখলে বিষয়টি জানা যাবে।”
এ বিষয়ে বাসাইল ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মো. আক্তার হোসেন বলেন, “তৎকালীন চেয়ারম্যান একটি চুক্তির মাধ্যমে দোকানগুলোর পজিশন ভাড়া দিয়েছিলেন। সেই চুক্তির ভিত্তিতেই এখনো ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় বিষয়টি নিয়ে পরিকল্পনা করা প্রয়োজন।”
বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে রুম্পা ঘোষ বলেন, “ইউনিয়ন পরিষদের রাজস্ব বৃদ্ধি ও মানোন্নয়নের স্বার্থে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘদিন ধরে চুক্তি নবায়ন না হওয়া এবং বাজারমূল্যের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ ভাড়া বহাল থাকায় ইউনিয়ন পরিষদ আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তারা দ্রুত চুক্তি পর্যালোচনা করে বর্তমান বাস্তবতার আলোকে দোকানগুলোর ভাড়া পুনর্নির্ধারণ ও নতুন চুক্তি সম্পাদনের দাবি জানিয়েছেন।