কর্মসূচিতে ‘আগ্রাসন বিরোধী আন্দোলন’- এর সদস্য সচিব আলামিন আটিয়া, কেন্দ্রীয় সদস্য শাকিল, হাসিব ইব্রাহিম, মোহাম্মদ নুর, শাহীন তানভীরসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
কর্মসূচিতে সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়, বিএনপি সরকারের দ্বৈত নাগরিকদের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগের সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতি ও বাংলাদেশের সংবিধান লঙ্ঘন করা হচ্ছে বলে তারা মনে করছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নাগরিকত্ব ও সাংবিধানিক যোগ্যতা জনসম্মুখে স্পষ্ট করার দাবি জানানো হয়।
সংগঠনটি আরও দাবি করে, বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৬ (২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রী নিয়োগের ক্ষেত্রে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতার বিষয়টি প্রাসঙ্গিক। একই সঙ্গে সংবিধানের ৬৬(২) (গ) অনুচ্ছেদে বিদেশি রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন বা বিদেশি রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য স্বীকারের বিষয়টি সংসদ সদস্য হওয়ার অযোগ্যতার সঙ্গে সম্পর্কিত। এসব বিধানের আলোকে দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগ রয়েছে- এমন ব্যক্তিদের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগের বৈধতা ও সাংবিধানিক যোগ্যতা স্পষ্ট করার দাবি জানিয়েছে তারা।
এ সময় সংগঠনটির নেতারা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ও পরবর্তী অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েও দ্বৈত নাগরিকত্বের প্রশ্নে বিতর্কিত ব্যক্তিদের রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। তাদের দাবি, অতীতের বিতর্কিত চর্চার পুনরাবৃত্তি করে বর্তমান সরকারও একই ধরনের সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।
তারা বলেন, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে দলীয় বিবেচনার ঊর্ধ্বে উঠে বাংলাদেশের সংবিধান, জাতীয় স্বার্থ ও রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্যকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।
কর্মসূচি থেকে দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগ থাকা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নাগরিকত্ব ও সাংবিধানিক যোগ্যতা যাচাইয়ে স্বচ্ছ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়।